কসবা পৌর জামায়াতের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫
  • ৬২ Time View

উপজেলা প্রতিনিধি  (কসবা) : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক হৃদয়গ্রাহী ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় কসবা মডেল মসজিদের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

কসবা থেকে মো: বিল্লাল সরকার এর তথ্যচিত্রে বিস্তারিত-  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কসবা পৌর জামায়াতের আমীর হারুনুর রশিদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা শিবলী নোমানি, কসবা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম সারোয়ার, পৌর সেক্রেটারি ডা. মিজানুর রহমান, যুব জামায়াতের সভাপতি মানসুর রহমান জাঈদী, স্থানীয় নেতা শরীফ আহম্মেদ সরকারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ আল আরিফ এবং সেক্রেটারি মোঃ জাহিদ হাসান মোল্লাও।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি মুসলিম সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের এক মহান প্রতীক। ঈদ পুনর্মিলনীর মতো আয়োজন সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে এবং ব্যক্তি ও সংগঠনের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে। তারা বলেন, জাতি হিসেবে আমাদের সম্মিলিত অগ্রযাত্রার জন্য পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বিকল্প নেই।
এছাড়াওঅনুস্ঠান শেষে শান্তিপূর্ন মিছিল ও জনসংযোগ করেছেন, ইদ কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে পোর বাজারের ব্যাবসায়ী ও সাধারন মানুষেরা সাথে প্রধান অতিথি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তিনি কসবা উপজেলা গ্যাস চাই, কসবার গ্যাস কসবা চাই এমন প্রতিবাদে আগামী কর্মসূচি নেয়ার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উষ্ণ অভ্যর্থনা, বন্ধুত্বপূর্ণ আলাপচারিতা ও হৃদয়স্পর্শী পরিবেশ। সকল অংশগ্রহণকারী ঈদের আনন্দ পরস্পরের মাঝে ভাগাভাগি করে নেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও জনমুখী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে একসাথে মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের কল্যাণ কামনা করা হয়। এভাবেই কসবা পৌর জামায়াতের এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান এক অনন্য সামাজিক সম্প্রীতির নিদর্শন হয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

কসবা পৌর জামায়াতের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

Update Time : ০১:০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

উপজেলা প্রতিনিধি  (কসবা) : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা পৌরসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক হৃদয়গ্রাহী ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় কসবা মডেল মসজিদের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে পৌর এলাকার জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

কসবা থেকে মো: বিল্লাল সরকার এর তথ্যচিত্রে বিস্তারিত-  অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কসবা পৌর জামায়াতের আমীর হারুনুর রশিদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সরকার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর মাওলানা শিবলী নোমানি, কসবা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম সারোয়ার, পৌর সেক্রেটারি ডা. মিজানুর রহমান, যুব জামায়াতের সভাপতি মানসুর রহমান জাঈদী, স্থানীয় নেতা শরীফ আহম্মেদ সরকারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ আল আরিফ এবং সেক্রেটারি মোঃ জাহিদ হাসান মোল্লাও।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়; এটি মুসলিম সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের এক মহান প্রতীক। ঈদ পুনর্মিলনীর মতো আয়োজন সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে এবং ব্যক্তি ও সংগঠনের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে। তারা বলেন, জাতি হিসেবে আমাদের সম্মিলিত অগ্রযাত্রার জন্য পারস্পরিক ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বিকল্প নেই।
এছাড়াওঅনুস্ঠান শেষে শান্তিপূর্ন মিছিল ও জনসংযোগ করেছেন, ইদ কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে পোর বাজারের ব্যাবসায়ী ও সাধারন মানুষেরা সাথে প্রধান অতিথি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তিনি কসবা উপজেলা গ্যাস চাই, কসবার গ্যাস কসবা চাই এমন প্রতিবাদে আগামী কর্মসূচি নেয়ার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল উষ্ণ অভ্যর্থনা, বন্ধুত্বপূর্ণ আলাপচারিতা ও হৃদয়স্পর্শী পরিবেশ। সকল অংশগ্রহণকারী ঈদের আনন্দ পরস্পরের মাঝে ভাগাভাগি করে নেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও জনমুখী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে একসাথে মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জাতি এবং ইসলামী আন্দোলনের কল্যাণ কামনা করা হয়। এভাবেই কসবা পৌর জামায়াতের এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান এক অনন্য সামাজিক সম্প্রীতির নিদর্শন হয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকে।