কলাপাড়ার মনষাতলীতে গুডনেইবারস্ এর আধুনিক মডেল সাইক্লোন সেল্টার ও ক্যাটেল সেল্টার উদ্ভোধন

মিজানুর রহমান রিপন: কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : গুড নেইবারস্ বাংলাদেশ ও গুড নেইবারস্ জাপানের সহযোগিতায় এবং জাপান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (MOFA) আর্থিক অনুদানে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মনসাতলীতে নির্মাণাধীন আধুনিক মডেল বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার(২১ সেপ্টেম্বর) কুয়াকাটার একটি হোটেলের কন্ফারেন্স হলে প্রধান অতিথি কর্তৃক এ আশ্রয়কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ভার্চুয়ালী শুভ উদ্ভোধন করা হয়।পরে আশ্রয়কেন্দ্রের নির্মিত স্হান ডালবুগন্জে গিয়ে অতিথিগণ আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে বেলুন উড়িয়ে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন।

প্রকল্পটির আওতায় তিন বছরে চারটি সাইক্লোন সেল্টার রেনুভেশন ও দুইটি নতুন করে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত বহুমুখী মডেল সাইক্লোন সেল্টার(সাইক্লোন সেল্টার ও ক্যাটেল সেল্টার) নির্মিত হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্যোগকালীন সময়ে প্রায় সাতশত জন মানুষ ও দুইশত গবাদিপশু নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারবে। পাশাপাশি স্কুল-কাম-সাইক্লোন শেল্টার নির্মিত হওয়ায় যা শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমের পাশাপাশি দুর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় গত বছর মহিপুর ইউনিয়নের কমরপুর গ্রামে আধুনিক মডেল সাইক্লোন সেল্টার ও ক্যাটেল সেল্টার নির্মিত হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপান এ্যাম্বাসির ফাস্ট সেক্রেটারি মি. কারাসাওয়া শিনজু।

গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর বার্টিন গোমেজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসীন সাদেক, গুড নেইবারস্ জাপানের প্রধান টেকনিক্যাল পারসন ম্যারী মিকসুমু এবং উপজেলা সিপিপি’র সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান খান।

এছাড়াও মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ, কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নেছার উদ্দীন আহম্মেদ টিপু, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ জিহাদী, গুড নেইবারস্ কলাপাড়া উপজেলা প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর দীপক কুমার দাস,গুডনেইবারস্ কলাপাড়া সিডিপি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার পন্কজ বিশ্বাস,গুডনেইবারস্ এর মহিপুর ও ডালবুগন্জ এলাকার বিভিন্ন কমিউনিটির সদস্য বৃন্দ সহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কারাসাওয়া শিনজু বলেন,বাংলাদেশের দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় এলাকায় এ ধরণের উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসীন সাদেক বলেন, উপকূলীয় এই এলাকায় সুবিধা বন্চিত জনগনের জন্য জাপান সরকারের MOFA ও গুডনেইবারস্ বাংলাদেশ-জাপান কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। আশ্রয়কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট রাস্তা নির্মানের প্রয়োজনীয়তায় স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কে প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার জন্য আহবান জানান।

গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর বলেন, কলাপাড়া উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রবন এলাকা হওয়ায় এ উপকূলে গুডনেইবারস্ কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও স্হানীয় প্রশাসনের কাছে প্রশাসনিক সহযোগীতা পেয়ে আমরা কৃতজ্ঞ।

বক্তারা জানান, এসব আশ্রয়কেন্দ্রে সৌরবিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, স্যানিটেশন, বিশেষচাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের জন্য আধুনিক সুবিধাসম্বলিত আলাদা শৌচাগার, পশুর জন্য আলাদা নিরাপদ কক্ষ এবং শিশু-বান্ধব স্পেস রাখা হয়েছে। যা উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার একটি অনন্ন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

গুড নেইবারস্ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার, ইউনিয়ন পরিষদ, কমিউনিটি লিডার ও জনগণের অংশগ্রহণে একটি টেকসই দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
গুডনেইবারস্ কলাপাড়া উপজেলার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর দিপক কুমার দাস একটি ভিডিও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনর মাধ্যমে গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের এবং কলাপাড়া উপজেলায় তাদের বিভিন্ন কর্মসূচীর বিস্তারিত উপস্হাপন করেন।

পরিশেষে আশ্রায়ন প্রকল্পটির চুক্তিপত্রের দলিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হস্তান্তর করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

কলাপাড়ার মনষাতলীতে গুডনেইবারস্ এর আধুনিক মডেল সাইক্লোন সেল্টার ও ক্যাটেল সেল্টার উদ্ভোধন

Update Time : ১১:২৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিজানুর রহমান রিপন: কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : গুড নেইবারস্ বাংলাদেশ ও গুড নেইবারস্ জাপানের সহযোগিতায় এবং জাপান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (MOFA) আর্থিক অনুদানে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মনসাতলীতে নির্মাণাধীন আধুনিক মডেল বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার(২১ সেপ্টেম্বর) কুয়াকাটার একটি হোটেলের কন্ফারেন্স হলে প্রধান অতিথি কর্তৃক এ আশ্রয়কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ভার্চুয়ালী শুভ উদ্ভোধন করা হয়।পরে আশ্রয়কেন্দ্রের নির্মিত স্হান ডালবুগন্জে গিয়ে অতিথিগণ আশ্রয়কেন্দ্রটি পরিদর্শন করে বেলুন উড়িয়ে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন।

প্রকল্পটির আওতায় তিন বছরে চারটি সাইক্লোন সেল্টার রেনুভেশন ও দুইটি নতুন করে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত বহুমুখী মডেল সাইক্লোন সেল্টার(সাইক্লোন সেল্টার ও ক্যাটেল সেল্টার) নির্মিত হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্যোগকালীন সময়ে প্রায় সাতশত জন মানুষ ও দুইশত গবাদিপশু নিরাপদ আশ্রয় নিতে পারবে। পাশাপাশি স্কুল-কাম-সাইক্লোন শেল্টার নির্মিত হওয়ায় যা শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমের পাশাপাশি দুর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় গত বছর মহিপুর ইউনিয়নের কমরপুর গ্রামে আধুনিক মডেল সাইক্লোন সেল্টার ও ক্যাটেল সেল্টার নির্মিত হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপান এ্যাম্বাসির ফাস্ট সেক্রেটারি মি. কারাসাওয়া শিনজু।

গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর বার্টিন গোমেজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসীন সাদেক, গুড নেইবারস্ জাপানের প্রধান টেকনিক্যাল পারসন ম্যারী মিকসুমু এবং উপজেলা সিপিপি’র সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান খান।

এছাড়াও মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল জলিল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ, কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নেছার উদ্দীন আহম্মেদ টিপু, ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ জিহাদী, গুড নেইবারস্ কলাপাড়া উপজেলা প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর দীপক কুমার দাস,গুডনেইবারস্ কলাপাড়া সিডিপি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার পন্কজ বিশ্বাস,গুডনেইবারস্ এর মহিপুর ও ডালবুগন্জ এলাকার বিভিন্ন কমিউনিটির সদস্য বৃন্দ সহ স্থানীয় গণ্যমান্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কারাসাওয়া শিনজু বলেন,বাংলাদেশের দুর্যোগপ্রবণ উপকূলীয় এলাকায় এ ধরণের উদ্যোগ দুর্যোগ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ভারপ্রাপ্ত) ইয়াসীন সাদেক বলেন, উপকূলীয় এই এলাকায় সুবিধা বন্চিত জনগনের জন্য জাপান সরকারের MOFA ও গুডনেইবারস্ বাংলাদেশ-জাপান কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। আশ্রয়কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট রাস্তা নির্মানের প্রয়োজনীয়তায় স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কে প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার জন্য আহবান জানান।

গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর বলেন, কলাপাড়া উপজেলা ঘূর্ণিঝড় প্রবন এলাকা হওয়ায় এ উপকূলে গুডনেইবারস্ কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও স্হানীয় প্রশাসনের কাছে প্রশাসনিক সহযোগীতা পেয়ে আমরা কৃতজ্ঞ।

বক্তারা জানান, এসব আশ্রয়কেন্দ্রে সৌরবিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, স্যানিটেশন, বিশেষচাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের জন্য আধুনিক সুবিধাসম্বলিত আলাদা শৌচাগার, পশুর জন্য আলাদা নিরাপদ কক্ষ এবং শিশু-বান্ধব স্পেস রাখা হয়েছে। যা উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার একটি অনন্ন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

গুড নেইবারস্ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় সরকার, ইউনিয়ন পরিষদ, কমিউনিটি লিডার ও জনগণের অংশগ্রহণে একটি টেকসই দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
গুডনেইবারস্ কলাপাড়া উপজেলার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর দিপক কুমার দাস একটি ভিডিও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনর মাধ্যমে গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের এবং কলাপাড়া উপজেলায় তাদের বিভিন্ন কর্মসূচীর বিস্তারিত উপস্হাপন করেন।

পরিশেষে আশ্রায়ন প্রকল্পটির চুক্তিপত্রের দলিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট গুডনেইবারস্ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হস্তান্তর করেন।