চোরমুক্ত নিরাপদ এলাকা চাই: বৃহত্তর কুর্শীতে মানববন্ধনে এলাকাবাসীর দাবি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ Time View

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি৷
চোরমুক্ত নিরাপদ এলাকা চাই”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দোলার বাজার ইউনিয়নে গত ০৬ এপ্রিল বৃহত্তর কুর্শীসহ আশপাশের গ্রামের শতশত মানুষের উপস্থিতিতে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিবাদের মূল দাবি
অসামাজিক কার্যকলাপ, চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন,
এলাকার কিছু অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে গরু চুরি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।
তারা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে।

চোরদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা তাদের বাড়িতে চোরাই গরু ও অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষণ করছে। ফলে সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
বক্তারা বলেন,
আমরা আজ নিরুপায় হয়ে রাস্তায় নেমেছি। দ্রুত এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

প্রশাসনের প্রতি আহ্বান
সমাবেশ থেকে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়—
দ্রুত অভিযান চালিয়ে চোর সিন্ডিকেট নির্মূল করতে হবে
এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
নিরীহ জনগণকে হয়রানি বন্ধ করতে হবে

সাবেক ১০ নং দোলার বাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও
মোহাম্মদগন্জ বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি সাহেল মিয়ার পরিচালনায়। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন,

মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী (সাবেক চেয়ারম্যান, সিংচাপুর ইউনিয়ন পরিষদ)শায়েক আহমেদ (বর্তমান মেম্বার, ৩নং ওয়ার্ড ও মুখপাত্র—চোর নির্মূল কমিটি)আব্দুল কদ্দুস (লন্ডন প্রবাসী) মজনু মিয়া,আব্দুল কাহার আলী হোসেন (সভাপতি, কুর্শী মোহাম্মদগঞ্জ বাজার)আব্দুল হক (সাবেক মেম্বার)হাফিজুর রহমান (বরাটুকা)
মুসলিম উদ্দিন (বরাটুকা)নুরুল হক (সভাপতি, কুর্শী ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা)আব্দুস সোবহান বাদাই
সাকিল আহমদ,শামীম আহমদ,সায়হাম উদ্দিন
সাহেল মিয়া,কামাল আহমেদ (লন্ডন প্রবাসী)
হায়দার আলী (সাবেক মেম্বার)আবুল লেইছ, কনা মিয়া তালুকদার,সাহেব আলী,আয়ূব আলী নুর ইসলাম, নজির আলী,সুলতান আহমদ,সুনা মিয়া টেইলার

সমাবেশ শেষে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা “চোরমুক্ত কুর্শী চাই, নিরাপদ সমাজ চাই” স্লোগান দেন।

এলাকাবাসী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন—দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

চোরমুক্ত নিরাপদ এলাকা চাই: বৃহত্তর কুর্শীতে মানববন্ধনে এলাকাবাসীর দাবি

Update Time : ০৬:১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ
সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি৷
চোরমুক্ত নিরাপদ এলাকা চাই”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দোলার বাজার ইউনিয়নে গত ০৬ এপ্রিল বৃহত্তর কুর্শীসহ আশপাশের গ্রামের শতশত মানুষের উপস্থিতিতে এক বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিবাদের মূল দাবি
অসামাজিক কার্যকলাপ, চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন,
এলাকার কিছু অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে গরু চুরি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।
তারা একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট গড়ে তুলে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে।

চোরদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা তাদের বাড়িতে চোরাই গরু ও অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষণ করছে। ফলে সাধারণ মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
বক্তারা বলেন,
আমরা আজ নিরুপায় হয়ে রাস্তায় নেমেছি। দ্রুত এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

প্রশাসনের প্রতি আহ্বান
সমাবেশ থেকে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর দাবি জানানো হয়—
দ্রুত অভিযান চালিয়ে চোর সিন্ডিকেট নির্মূল করতে হবে
এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে
নিরীহ জনগণকে হয়রানি বন্ধ করতে হবে

সাবেক ১০ নং দোলার বাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও
মোহাম্মদগন্জ বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি সাহেল মিয়ার পরিচালনায়। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন,

মোর্শেদ আহমদ চৌধুরী (সাবেক চেয়ারম্যান, সিংচাপুর ইউনিয়ন পরিষদ)শায়েক আহমেদ (বর্তমান মেম্বার, ৩নং ওয়ার্ড ও মুখপাত্র—চোর নির্মূল কমিটি)আব্দুল কদ্দুস (লন্ডন প্রবাসী) মজনু মিয়া,আব্দুল কাহার আলী হোসেন (সভাপতি, কুর্শী মোহাম্মদগঞ্জ বাজার)আব্দুল হক (সাবেক মেম্বার)হাফিজুর রহমান (বরাটুকা)
মুসলিম উদ্দিন (বরাটুকা)নুরুল হক (সভাপতি, কুর্শী ইসলামপুর দাখিল মাদ্রাসা)আব্দুস সোবহান বাদাই
সাকিল আহমদ,শামীম আহমদ,সায়হাম উদ্দিন
সাহেল মিয়া,কামাল আহমেদ (লন্ডন প্রবাসী)
হায়দার আলী (সাবেক মেম্বার)আবুল লেইছ, কনা মিয়া তালুকদার,সাহেব আলী,আয়ূব আলী নুর ইসলাম, নজির আলী,সুলতান আহমদ,সুনা মিয়া টেইলার

সমাবেশ শেষে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা “চোরমুক্ত কুর্শী চাই, নিরাপদ সমাজ চাই” স্লোগান দেন।

এলাকাবাসী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন—দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।