গ্যাস সংকটে আনোয়ারার দুই সার কারখানা বন্ধ, ডিএপিএফসিএলও ঝুঁকিতে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ Time View

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের দুই বৃহৎ সার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এগুলো হলো চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)। একই কারণে অ্যামোনিয়া সংকটে পড়ে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে সিইউএফএল ও কাফকো চালু হয়ে অ্যামোনিয়া সরবরাহ শুরু না হলে ডিএপিএফসিএলের উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক।
জানা গেছে, দেশের কৃষি খাতে সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রিত ডিএপিএফসিএল প্রতিষ্ঠা করা হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় দৈনিক ৮০০ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট—ডিএপি-১ ও ডিএপি-২—নিয়ে কারখানাটি গড়ে ওঠে। নির্মাণকাজ শেষে ২০০৬ সাল থেকে এখানে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
বর্তমানে কারখানাটিতে দৈনিক প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন হচ্ছে। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পার্শ্ববর্তী দুই বৃহৎ সার কারখানা সিইউএফএল ও কাফকো থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হয়ে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ওই দুই কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে মজুত অ্যামোনিয়া শেষ হলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে ডিএপিএফসিএলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক বলেন, অন্যান্য সার কারখানার মতো আমাদের কারখানায় বেশি গ্যাসের প্রয়োজন হয় না। আবাসিক এলাকার মতো স্বল্প গ্যাস দিয়েই কারখানা চালু রাখা যায়। তবে ইউরিয়া উৎপাদনের জন্য সিইউএফএল ও কাফকো থেকে অ্যামোনিয়া না পাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কারখানার অধিকাংশ যন্ত্রপাতির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং জনবল সংকটও রয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের তুলনায় উৎপাদনও কমে গেছে।
এদিকে গ্যাস সংকটে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানায় ২৭ দিন বন্ধ থাকার পর আবার সার উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং পাঁচ দিন পর সোমবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিট থেকে ইউরিয়া সার উৎপাদন পুরোপুরি শুরু হয়।
কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম জানান, গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর পূর্ণ উৎপাদনে যেতে পাঁচ থেকে ছয় দিন সময় লাগে। দৈনিক ২ হাজার ৮০০ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানাটিতে গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ বিকেল থেকে সরকারি নির্দেশনায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ ছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

গ্যাস সংকটে আনোয়ারার দুই সার কারখানা বন্ধ, ডিএপিএফসিএলও ঝুঁকিতে

Update Time : ০৬:১৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের দুই বৃহৎ সার কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এগুলো হলো চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)। একই কারণে অ্যামোনিয়া সংকটে পড়ে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল)।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে সিইউএফএল ও কাফকো চালু হয়ে অ্যামোনিয়া সরবরাহ শুরু না হলে ডিএপিএফসিএলের উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মঈনুল হক।
জানা গেছে, দেশের কৃষি খাতে সুষম সারের ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রিত ডিএপিএফসিএল প্রতিষ্ঠা করা হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় দৈনিক ৮০০ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট—ডিএপি-১ ও ডিএপি-২—নিয়ে কারখানাটি গড়ে ওঠে। নির্মাণকাজ শেষে ২০০৬ সাল থেকে এখানে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
বর্তমানে কারখানাটিতে দৈনিক প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন হচ্ছে। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পার্শ্ববর্তী দুই বৃহৎ সার কারখানা সিইউএফএল ও কাফকো থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম চালানো হয়ে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ওই দুই কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে মজুত অ্যামোনিয়া শেষ হলে আগামী সপ্তাহের মধ্যে ডিএপিএফসিএলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক বলেন, অন্যান্য সার কারখানার মতো আমাদের কারখানায় বেশি গ্যাসের প্রয়োজন হয় না। আবাসিক এলাকার মতো স্বল্প গ্যাস দিয়েই কারখানা চালু রাখা যায়। তবে ইউরিয়া উৎপাদনের জন্য সিইউএফএল ও কাফকো থেকে অ্যামোনিয়া না পাওয়ায় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কারখানার অধিকাংশ যন্ত্রপাতির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং জনবল সংকটও রয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের তুলনায় উৎপাদনও কমে গেছে।
এদিকে গ্যাস সংকটে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানায় ২৭ দিন বন্ধ থাকার পর আবার সার উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং পাঁচ দিন পর সোমবার দুপুর ১২টা ১০ মিনিট থেকে ইউরিয়া সার উৎপাদন পুরোপুরি শুরু হয়।
কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম জানান, গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর পূর্ণ উৎপাদনে যেতে পাঁচ থেকে ছয় দিন সময় লাগে। দৈনিক ২ হাজার ৮০০ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানাটিতে গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ বিকেল থেকে সরকারি নির্দেশনায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ ছিল।