জগন্নাথপুরে ষাঁড়ের লড়াই বন্ধের দাবীতে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল, অবস্থান ধর্মঘট ঘোষণা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ Time View

 

হুমায়ূন কবীর ফরীদি, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথপুরে ষাঁড়ের লড়াই বন্ধের দাবীতে সর্বদলীয় তাওহীদি জনতার ব্যানারে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে অবস্থান ধর্মঘট এর ডাক দিয়েছেন তৌহিদি জনতা।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ষাঁড়ের লড়াই ও অনৈসলামিক কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে ১৩ ই এপ্রিল রোজ সোমবার বিকালে জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার সহস্রাধিক জনতার অংশ গ্রহণে “সর্বদলীয় তাওহীদি জনতা জগন্নাথপুর” এর ব্যানারে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর পয়েন্টে ফিরে এসে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল পূর্বে জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে শায়েখ মাওলানা এমদাদুল হক এর সভাপতিত্বে ও মাওলানা সাইফুর রহমান সাজাওয়ার ও মাওলানা মুতিউর রহমান এর যৌথ পরিচালনায় বিশাল গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা জমিরউদ্দীন, মাওলানা গিয়াসউদ্দিন, মাওলানা আব্দুল করিম ফারুকী, মাওলানা আব্দুল মোমিন শাহীন, মাওলানা আজমল হোসাইন জামী, মাওলানা নিজামুদ্দিন জালালী, হাফিজ নূরুল হক, আমিনুর রহমান রাজু, মাওলানা নুরুজ্জামান, মুফতি আকমল, আফম অলি উল্লাহ, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা মাহিদুল হাসান, বদরুদ্দীন আল আল আমিন, মাওলানা ইসমাইল হোসেন, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সুনু, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল, জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরাম এর আহবায়ক কমিটির সদস্য রিয়াজ রহমান, জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরাম এর আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ আল আমিন ও সাংবাদিক মাসুম আহমদ প্রমূখ।
বক্তারা তাদের বক্তব্য বলেন, কিছু লোক না বুঝে বোবা পশু দিয়ে মনোরঞ্জনের জন্য জগন্নাথপুর এলাকায় ষাঁড়ের লড়াই নামক অনৈসলামিক কার্যক্রম চালানোর পায়তারা করছেন। যা ইসলাম কখনো সমর্থন করে না। এই অনৈসলামিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য আয়োজকদের আহবান জানাচ্ছি। এবং এর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ ও প্রশাসনের প্রতি প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি। যদি অনৈসলামিক এই কার্যক্রম বন্ধ করা না হয় তাহলে তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে আজ ১৪ এপ্রিল জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে অবস্থান করবেন ও প্রয়োজনে রাস্তা ব্লকেড করার ঘোষণা দিয়েছেন বক্তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

জগন্নাথপুরে ষাঁড়ের লড়াই বন্ধের দাবীতে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল, অবস্থান ধর্মঘট ঘোষণা

Update Time : ০৫:২০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

 

হুমায়ূন কবীর ফরীদি, জগন্নাথপুর উপজেলা প্রতিনিধিঃ

জগন্নাথপুরে ষাঁড়ের লড়াই বন্ধের দাবীতে সর্বদলীয় তাওহীদি জনতার ব্যানারে গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশ থেকে অবস্থান ধর্মঘট এর ডাক দিয়েছেন তৌহিদি জনতা।
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ষাঁড়ের লড়াই ও অনৈসলামিক কার্যক্রম বন্ধের দাবীতে ১৩ ই এপ্রিল রোজ সোমবার বিকালে জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার সহস্রাধিক জনতার অংশ গ্রহণে “সর্বদলীয় তাওহীদি জনতা জগন্নাথপুর” এর ব্যানারে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর পয়েন্টে ফিরে এসে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিল পূর্বে জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে শায়েখ মাওলানা এমদাদুল হক এর সভাপতিত্বে ও মাওলানা সাইফুর রহমান সাজাওয়ার ও মাওলানা মুতিউর রহমান এর যৌথ পরিচালনায় বিশাল গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা জমিরউদ্দীন, মাওলানা গিয়াসউদ্দিন, মাওলানা আব্দুল করিম ফারুকী, মাওলানা আব্দুল মোমিন শাহীন, মাওলানা আজমল হোসাইন জামী, মাওলানা নিজামুদ্দিন জালালী, হাফিজ নূরুল হক, আমিনুর রহমান রাজু, মাওলানা নুরুজ্জামান, মুফতি আকমল, আফম অলি উল্লাহ, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা মাহিদুল হাসান, বদরুদ্দীন আল আল আমিন, মাওলানা ইসমাইল হোসেন, জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক সানোয়ার হোসেন সুনু, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম লাল, জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরাম এর আহবায়ক কমিটির সদস্য রিয়াজ রহমান, জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরাম এর আহবায়ক কমিটির সদস্য মোঃ আল আমিন ও সাংবাদিক মাসুম আহমদ প্রমূখ।
বক্তারা তাদের বক্তব্য বলেন, কিছু লোক না বুঝে বোবা পশু দিয়ে মনোরঞ্জনের জন্য জগন্নাথপুর এলাকায় ষাঁড়ের লড়াই নামক অনৈসলামিক কার্যক্রম চালানোর পায়তারা করছেন। যা ইসলাম কখনো সমর্থন করে না। এই অনৈসলামিক কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য আয়োজকদের আহবান জানাচ্ছি। এবং এর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ ও প্রশাসনের প্রতি প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি। যদি অনৈসলামিক এই কার্যক্রম বন্ধ করা না হয় তাহলে তৌহিদী জনতাকে সাথে নিয়ে আজ ১৪ এপ্রিল জগন্নাথপুর পৌর পয়েন্টে অবস্থান করবেন ও প্রয়োজনে রাস্তা ব্লকেড করার ঘোষণা দিয়েছেন বক্তারা।