আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশের জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসাবে – এবিএম মোশারফ হোসেন

মিজানুর রহমান রিপন: কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : বুধবার (১৩ আগষ্ট) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র আয়োজনে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার হলিডে হোমস মাঠে বিকেলে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। কুয়াকাটা পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও এর আশেপাশ থেকে হাজার হাজার বিএনপির সমর্থক, নারী -পুরুষ এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন।
প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি বলেন, গুটিকয়েক দল পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাচ্ছে। অর্থাৎ যেখানে দলের কোনো প্রার্থী থাকবে না, দলের প্রতীক কে জনগণ ভোট দিবে। সকল দলের মোট ভোটের আনুপাতিক হারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে। যে সকল দলের প্রার্থীরা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হতে পারবেননা কেবলমাত্র তারাই পিআর পদ্ধতি চাচ্ছে। হাতপাখা মার্কার দল আজ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থীও নির্বাচিত হতে পারে নাই।বাংলাদেশের পিআর পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি দলীয় প্রার্থী কে জনগণ ভোট প্রদান করে কারণ, প্রত্যেক এমপির কাছে জনগণ যেতে পারে এবং তাদের দাবি দাওয়া উপস্থাপন করে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ (রাস্তা, কালভার্ট, স্কুল কলেজ, চাকুরী, অনুদান ইত্যাদি) আদায় করতে পারে।ঐ সকল দলগুলো ভোটে জয়ী হতে পারবেনা বিধায় তারা পিআর বলে আগামী নির্বাচন ভন্ডুল করতে চায়। কিন্তু বর্তমান সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ইনশাআল্লাহ্ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরো বলেন, বিগত আওয়ামীলীগ সরকার এই কুয়াকাটায় কোনো উন্নয়ন করেনি। পটুয়াখালী হতে কুয়াকাটা মহাসড়ক বিএনপির সময় হয়েছে। সাবেক প্রধান মন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কুয়াকাটায় রাখাইন সম্প্রদায় কে আবাসনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল মোটেল বিএনপির সময় হয়েছে। শেখ হাসিনা শুধু একটি কাজ করেছে সেটা কুয়াকাটা কে পৌরসভা করেছ এ ছাড়া তাদের আমলে আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। তবে আওয়ামীলীগের লোকেরা এই কুয়াকাটার মানুষের জমি দখল করে সাধারণ মানুষ কে নিঃস্ব করেছে।

আওয়ামীলীগের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, বিগত পনের বছর আওয়ামীলীগ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। দিনের ভোট রাতে করেছে। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। সর্বশেষ নিজেরা আর মামুরা নির্বাচন করেছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বেছে নিবে এবং ইনশাআল্লাহ্ বিএনপি সরকার গঠন করবে।

উক্ত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সভাপতি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আঃ আজিজ মুসুল্লী।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মোঃ ফারুক, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মূসা তাওহীদ নান্নু মুন্সী ,মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল তালুকদার, মহিপুর থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মুসুল্লী সুলতান,কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিমউদ্দীন বাবুল ভূঁইয়া, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এমএ মান্নান চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাওলাদার, শাহজাহান আকন, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামী, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদুর রহমান সোহেল প্রমুখ।

জনসভাটি সঞ্চালনা করেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার।
এছাড়াও কলাপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ, মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্র দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল, তাঁতী দল, মহিলা দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেশের জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসাবে – এবিএম মোশারফ হোসেন

Update Time : ০৮:৪৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

মিজানুর রহমান রিপন: কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : বুধবার (১৩ আগষ্ট) পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র আয়োজনে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার হলিডে হোমস মাঠে বিকেলে এক বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। কুয়াকাটা পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও এর আশেপাশ থেকে হাজার হাজার বিএনপির সমর্থক, নারী -পুরুষ এবং বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশারফ হোসেন।
প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি বলেন, গুটিকয়েক দল পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাচ্ছে। অর্থাৎ যেখানে দলের কোনো প্রার্থী থাকবে না, দলের প্রতীক কে জনগণ ভোট দিবে। সকল দলের মোট ভোটের আনুপাতিক হারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবে। যে সকল দলের প্রার্থীরা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হতে পারবেননা কেবলমাত্র তারাই পিআর পদ্ধতি চাচ্ছে। হাতপাখা মার্কার দল আজ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থীও নির্বাচিত হতে পারে নাই।বাংলাদেশের পিআর পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি দলীয় প্রার্থী কে জনগণ ভোট প্রদান করে কারণ, প্রত্যেক এমপির কাছে জনগণ যেতে পারে এবং তাদের দাবি দাওয়া উপস্থাপন করে বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ (রাস্তা, কালভার্ট, স্কুল কলেজ, চাকুরী, অনুদান ইত্যাদি) আদায় করতে পারে।ঐ সকল দলগুলো ভোটে জয়ী হতে পারবেনা বিধায় তারা পিআর বলে আগামী নির্বাচন ভন্ডুল করতে চায়। কিন্তু বর্তমান সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ইনশাআল্লাহ্ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরো বলেন, বিগত আওয়ামীলীগ সরকার এই কুয়াকাটায় কোনো উন্নয়ন করেনি। পটুয়াখালী হতে কুয়াকাটা মহাসড়ক বিএনপির সময় হয়েছে। সাবেক প্রধান মন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কুয়াকাটায় রাখাইন সম্প্রদায় কে আবাসনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। পর্যটন কেন্দ্র, হোটেল মোটেল বিএনপির সময় হয়েছে। শেখ হাসিনা শুধু একটি কাজ করেছে সেটা কুয়াকাটা কে পৌরসভা করেছ এ ছাড়া তাদের আমলে আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। তবে আওয়ামীলীগের লোকেরা এই কুয়াকাটার মানুষের জমি দখল করে সাধারণ মানুষ কে নিঃস্ব করেছে।

আওয়ামীলীগের সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, বিগত পনের বছর আওয়ামীলীগ মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। দিনের ভোট রাতে করেছে। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। সর্বশেষ নিজেরা আর মামুরা নির্বাচন করেছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বেছে নিবে এবং ইনশাআল্লাহ্ বিএনপি সরকার গঠন করবে।

উক্ত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সভাপতি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আঃ আজিজ মুসুল্লী।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি গাজী মোঃ ফারুক, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মূসা তাওহীদ নান্নু মুন্সী ,মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ, কলাপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাজল তালুকদার, মহিপুর থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মুসুল্লী সুলতান,কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিমউদ্দীন বাবুল ভূঁইয়া, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব এমএ মান্নান চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাওলাদার, শাহজাহান আকন, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামী, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদুর রহমান সোহেল প্রমুখ।

জনসভাটি সঞ্চালনা করেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার।
এছাড়াও কলাপাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ, মহিপুর থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্র দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল, তাঁতী দল, মহিলা দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।