কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীর উপর ফেরিঘাটে দেশের প্রথম ক্যাবল স্টেইট সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ১৩ Time View

 

ব্যয় হতে পারে ১৬৫৮৭১.৮৬ লক্ষ টাকা

এম এম শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার কর্ণফুলী নদীর উপর চন্দ্রঘোনা- রাইখালী ফেরিঘাটে ক্যাবল স্টেইট সেতু নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে মোট ১৬৫৮৭১.৮৬ লক্ষ টাকা।

সোমবার(৩০ মার্চ)২৬ খ্রিঃ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, ইতিমধ্যে সেতুর চুড়ান্ত নকশা প্রণয়ন করে প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ)২৬খ্রিঃ তারিখ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে প্রকল্প যাচাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কর্ণফুলী নদীর উপর চন্দ্রঘোনা ফেরী ঘাটে ক্যাবল স্টেইট সেতু নির্মাণের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এই সেতুটি নির্মিত হলে এটিই হবে বাংলাদেশে প্রথম ক্যাবল স্টেইট সেতু।

তিনি আরোও জানান, এই প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলি নদীর উপর ৫৩২মিটার ক্যাবল স্টেইড সেতু নির্মাণ করা হবে।
এছাড়া ৪৫৫ মিটার ভায়াডাক্ট ও ৫১১ মিটার এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মূল সেতু ও ভায়াডাক্ট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৬৮৫০.১৬ লক্ষ টাকা এবং এলিভেটেড সংযোগ সড়ক নির্মাণসহ অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪২০০.২০ লক্ষ টাকা।

এই প্রকল্পটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভায় অনুমোদন হলে নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

সেতুটির নির্মাণকাল ধরা হয়েছে ১ জুলাই ২০২৬ হতে ৩০ জুন ২০৩১ পর্যন্ত।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর রাঙ্গামাটির উপ সহকারী প্রকৌশলী কীর্তি নিশান চাকমা জানান, এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রাঙামাটি- ঘাগড়া বাংগালহালিয়া-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-১৬১) এর ২১তম কিঃমিঃ এ কর্ণফুলী নদীর উপর দৃষ্টিনন্দন চন্দ্রঘোনা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার মধ্যকার সড়ক নেটওয়ার্কটি বাধাহীন, উন্নত, নিরাপদ, আরামদায়ক এবং সময় ও ব্যসাশ্রয়ী সড়ক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার পর্যটনশিল্পের বিকাশকে ত্বরান্বিত করা।
যানবাহন ও মালামাল পরিবহনের জন্য নিরাপদ, টেকসই এবং নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
এক নজরে সকলের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যাতায়াতসহ সকল সুবিধা সম্ভাবনা হয়ে উঠবে।

কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন জানান, এই অঞ্চলের জনগণের দীর্ঘ দিনের একটি স্বপ্ন এই নৌ রুটে সেতু নির্মাণ।
এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার জনসাধারণের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা সম্ভব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীর উপর ফেরিঘাটে দেশের প্রথম ক্যাবল স্টেইট সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

Update Time : ০৭:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

 

ব্যয় হতে পারে ১৬৫৮৭১.৮৬ লক্ষ টাকা

এম এম শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার কর্ণফুলী নদীর উপর চন্দ্রঘোনা- রাইখালী ফেরিঘাটে ক্যাবল স্টেইট সেতু নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
এই প্রকল্পের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে মোট ১৬৫৮৭১.৮৬ লক্ষ টাকা।

সোমবার(৩০ মার্চ)২৬ খ্রিঃ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, ইতিমধ্যে সেতুর চুড়ান্ত নকশা প্রণয়ন করে প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে প্রেরণ করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ)২৬খ্রিঃ তারিখ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে প্রকল্প যাচাই কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কর্ণফুলী নদীর উপর চন্দ্রঘোনা ফেরী ঘাটে ক্যাবল স্টেইট সেতু নির্মাণের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এই সেতুটি নির্মিত হলে এটিই হবে বাংলাদেশে প্রথম ক্যাবল স্টেইট সেতু।

তিনি আরোও জানান, এই প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলি নদীর উপর ৫৩২মিটার ক্যাবল স্টেইড সেতু নির্মাণ করা হবে।
এছাড়া ৪৫৫ মিটার ভায়াডাক্ট ও ৫১১ মিটার এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় মূল সেতু ও ভায়াডাক্ট নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৬৮৫০.১৬ লক্ষ টাকা এবং এলিভেটেড সংযোগ সড়ক নির্মাণসহ অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪২০০.২০ লক্ষ টাকা।

এই প্রকল্পটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভায় অনুমোদন হলে নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

সেতুটির নির্মাণকাল ধরা হয়েছে ১ জুলাই ২০২৬ হতে ৩০ জুন ২০৩১ পর্যন্ত।
সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর রাঙ্গামাটির উপ সহকারী প্রকৌশলী কীর্তি নিশান চাকমা জানান, এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রাঙামাটি- ঘাগড়া বাংগালহালিয়া-বান্দরবান আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-১৬১) এর ২১তম কিঃমিঃ এ কর্ণফুলী নদীর উপর দৃষ্টিনন্দন চন্দ্রঘোনা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার মধ্যকার সড়ক নেটওয়ার্কটি বাধাহীন, উন্নত, নিরাপদ, আরামদায়ক এবং সময় ও ব্যসাশ্রয়ী সড়ক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার পর্যটনশিল্পের বিকাশকে ত্বরান্বিত করা।
যানবাহন ও মালামাল পরিবহনের জন্য নিরাপদ, টেকসই এবং নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
এক নজরে সকলের জন্য ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যাতায়াতসহ সকল সুবিধা সম্ভাবনা হয়ে উঠবে।

কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেন জানান, এই অঞ্চলের জনগণের দীর্ঘ দিনের একটি স্বপ্ন এই নৌ রুটে সেতু নির্মাণ।
এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার জনসাধারণের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করা সম্ভব।