চরবানিয়ালে বিএনপির ৩১দফার লিফলেট বিতরণ ও আলোচনাসভা

চরবানিয়ালে বিএনপির ৩১দফার লিফলেট বিতরণ ও আলোচনাসভা

মোঃ জিয়াউর রহমান : মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চরবানিয়ালে বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ৩ টায় চরবানিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা ও বাজারে লিফলেট বিতরণ করা হয়। বাংলাবাজার ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার প্রায় তিনযুগ পর চরবানিয়ালে এটিই প্রথম বিএনপির কোন কর্মসূচি এখানে অনুষ্ঠিত হলো। এ কর্মসুচিটি সফল করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেন চরবানিয়ালের শামীম বেপারী, মিঠু বেপারী, জামিল মোল্লা, ফারুক মোল্লা, সুজন মোল্লা ও মাসুদ মোল্লা।

উক্ত কর্মসূচিতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবু।

বাংলাবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা সরকার এর সভাপতিত্বে ও মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতা মোঃ সাজেদুল ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাবাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন সরকার, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি এডভোকেট মহিউদ্দিন, চরবানিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া মিয়াজি, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলামিন মিয়াজি, জিয়া সাইবার ফোর্সের সদর উপজেলার সভাপতি শরিফুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সেলিম মিয়াজী, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মাসুদ বেপারী, জিয়া সাইবার ফোর্স বাংলাবাজার ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল মিয়াজি, বাংলাবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারন সম্পাদক নাছির বেপারী ও বাংলাবাজার ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল মোল্লা।

সভাপতির বক্তব্যে গোলাম মর্তুজা সরকার বলেন, আপনাদের যে ধর্ম ও কর্ম আছে তা নিয়েই থাকবেন।  গায়ে পড়ে কারো সাথে ঝগড়া করতে যাবেন না। যদি কেউ গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসেন তার বিপক্ষে অবস্থান নিব। সেক্ষেত্রে তার বিপক্ষে যা করনীয় তাই করবো। যেখানে যা লাগে তাই খরচ করবো। দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান ছিলাম কারো কাছ থেকে দুই টাকা নেইনি। নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। বরঞ্চ দিয়েছি। তাই সবাই শান্তিতে থাকার চেষ্টা করবেন।

উদ্বোধক হিসেবে শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবু বলেন, আওয়ামীলীগকে উদ্দেশ্যে করে বলতে চাই। যারা জমি দখল করে আছেন তারা ছেড়ে দিবেন। যার দলিল সেই জমি ভোগ করবে। হামলা ও ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকবেন। বিএনপির কোন নেতা আওয়ামীলীগ নেতার পক্ষে নিয়ে দালালি করবেন না। এমন দালালী করলে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিগত সময় যারা আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে ছবি তুলেছেন তাদের থেকে বিএনপি নেতারা দূরে থাকবেন। সামনে নির্বাচন। নির্বাচনে কোন ধরণের অনিয়ম থাকবে না বা হবে না। বিএনপির লোক হয়ে আওয়ামীলীগের লোকদেরকে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।

এসময় চরবানিয়ালে শত শত জনগণও উপস্থিত ছিলেন।

আ/স/০৮/০২/২০২৫/আকাশ

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

চরবানিয়ালে বিএনপির ৩১দফার লিফলেট বিতরণ ও আলোচনাসভা

চরবানিয়ালে বিএনপির ৩১দফার লিফলেট বিতরণ ও আলোচনাসভা

Update Time : ১০:৪৩:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মোঃ জিয়াউর রহমান : মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের চরবানিয়ালে বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ৩ টায় চরবানিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা ও বাজারে লিফলেট বিতরণ করা হয়। বাংলাবাজার ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার প্রায় তিনযুগ পর চরবানিয়ালে এটিই প্রথম বিএনপির কোন কর্মসূচি এখানে অনুষ্ঠিত হলো। এ কর্মসুচিটি সফল করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেন চরবানিয়ালের শামীম বেপারী, মিঠু বেপারী, জামিল মোল্লা, ফারুক মোল্লা, সুজন মোল্লা ও মাসুদ মোল্লা।

উক্ত কর্মসূচিতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবু।

বাংলাবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মর্তুজা সরকার এর সভাপতিত্বে ও মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতা মোঃ সাজেদুল ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাবাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন। এতে বক্তব্য রাখেন বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন সরকার, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম, মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি এডভোকেট মহিউদ্দিন, চরবানিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া মিয়াজি, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আজিজুর রহমান, বাংলাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলামিন মিয়াজি, জিয়া সাইবার ফোর্সের সদর উপজেলার সভাপতি শরিফুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবদলের সদস্য সেলিম মিয়াজী, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মাসুদ বেপারী, জিয়া সাইবার ফোর্স বাংলাবাজার ইউনিয়ন সভাপতি সাইফুল মিয়াজি, বাংলাবাজার ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল সাধারন সম্পাদক নাছির বেপারী ও বাংলাবাজার ইউনিয়ন যুবদল সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল মোল্লা।

সভাপতির বক্তব্যে গোলাম মর্তুজা সরকার বলেন, আপনাদের যে ধর্ম ও কর্ম আছে তা নিয়েই থাকবেন।  গায়ে পড়ে কারো সাথে ঝগড়া করতে যাবেন না। যদি কেউ গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে আসেন তার বিপক্ষে অবস্থান নিব। সেক্ষেত্রে তার বিপক্ষে যা করনীয় তাই করবো। যেখানে যা লাগে তাই খরচ করবো। দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান ছিলাম কারো কাছ থেকে দুই টাকা নেইনি। নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। বরঞ্চ দিয়েছি। তাই সবাই শান্তিতে থাকার চেষ্টা করবেন।

উদ্বোধক হিসেবে শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবু বলেন, আওয়ামীলীগকে উদ্দেশ্যে করে বলতে চাই। যারা জমি দখল করে আছেন তারা ছেড়ে দিবেন। যার দলিল সেই জমি ভোগ করবে। হামলা ও ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকবেন। বিএনপির কোন নেতা আওয়ামীলীগ নেতার পক্ষে নিয়ে দালালি করবেন না। এমন দালালী করলে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিগত সময় যারা আওয়ামীলীগের সাথে জড়িত ছিলেন, আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে ছবি তুলেছেন তাদের থেকে বিএনপি নেতারা দূরে থাকবেন। সামনে নির্বাচন। নির্বাচনে কোন ধরণের অনিয়ম থাকবে না বা হবে না। বিএনপির লোক হয়ে আওয়ামীলীগের লোকদেরকে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।

এসময় চরবানিয়ালে শত শত জনগণও উপস্থিত ছিলেন।

আ/স/০৮/০২/২০২৫/আকাশ