ডাকসু নির্বাচনবিএনপির জন্য কঠিন বার্তা

  • মোঃ সোহাগ
  • Update Time : ১০:২৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৪৯ Time View

আবিদ, হামীম ও মায়েদ ওরা কেউ হারে নাই হেরেছি আমরা সারা বাংলাদেশের বিএনপির নেতাকর্মীরা। হাসিনার পতনের পর সারা দেশের জনগন বিশেষ করে তরুন সমাজ বিএনপি কে যেভাবে দেখতে চেয়েছিলো বিএনপি জনগনের কাছে সেইভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করতে পারে নাই।আমাদের ব্যর্থতার দায় নিতে হলো আবিদ হামীম আর মায়েদ-এর মতো কিছু মেধাবী ছাত্রনেতা কে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব বার বার কঠোর নির্দেশ দিলেও বিএনপির কিছু বিপথগামী কর্মীরা তার নির্দেশ পালন না করে উল্টো নানাবিধ অপর্কম করে বিএনপি কে জনগনের বিপক্ষে দাঁড় করিয়েছে।
আওয়ামী লীগের প্রত্যেক টা টিভি চ্যানেল, পেপার পত্রিকা গুলো হাসিনার পতনের পর বিএনপিপন্হী সাংবাদিকরা আয়ত্তে নিয়েছে। তারপরেও তারা তিল কে তাল বানিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপির দীর্ঘ সতের বছরে অর্জন কে ধুলায় উড়িয়ে দিচ্ছে।
প্রতিদিন শত শত নেতাকর্মী কে বহিস্কার করার পরেও তাদের অপকর্ম থামানো যায় নাই, তারা বুঝে নাই যে নির্বাচন করেই বিএনপি কে ক্ষমতায় আসতে হবে।
তবে হতাশার কিছু নাই বিএনপির উচিত ডাকসুর নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীকাল সকাল থেকেই দ্রুত নির্বাচন মুখী পরিকল্পনা সাজানো।সুবিধাবাদী বর্গী গোলন্দাজ বাহিনী জেনো টাকার বিনিময়ে পদ পদবী না পায় সেই দিকে খেয়াল রেখে দুঃসময়ের পরিক্ষীত কর্মীদের দিয়ে রণকৌশল সাজানো। গত বছর ৫ই আগস্ট এর পর থেকে কিছু কিছু নেতাকর্মীর এমন ভাব, যেন সে একটা কিছু হয়ে গেছে, এই সমস্ত রামছাগল মার্কা নেতাদের সামলানো না গেলে বিএনপির জন্য সামনে আরো বিপদ অপেক্ষা করছে। অনেক আছে সংগঠনের কথা চিন্তা না করে গ্রুপিং ও এমপি হবার জন্য মেতে উঠেছে পোষ্টার ফেস্টুন দিয়ে শহর মাতিয়ে তুলছে সংগঠন নিয়ে কোন চিন্তা নেই কি ভাবে দলের নতুন নতুন কর্মী তৈরি করতে হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

ডাকসু নির্বাচনবিএনপির জন্য কঠিন বার্তা

Update Time : ১০:২৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আবিদ, হামীম ও মায়েদ ওরা কেউ হারে নাই হেরেছি আমরা সারা বাংলাদেশের বিএনপির নেতাকর্মীরা। হাসিনার পতনের পর সারা দেশের জনগন বিশেষ করে তরুন সমাজ বিএনপি কে যেভাবে দেখতে চেয়েছিলো বিএনপি জনগনের কাছে সেইভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করতে পারে নাই।আমাদের ব্যর্থতার দায় নিতে হলো আবিদ হামীম আর মায়েদ-এর মতো কিছু মেধাবী ছাত্রনেতা কে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব বার বার কঠোর নির্দেশ দিলেও বিএনপির কিছু বিপথগামী কর্মীরা তার নির্দেশ পালন না করে উল্টো নানাবিধ অপর্কম করে বিএনপি কে জনগনের বিপক্ষে দাঁড় করিয়েছে।
আওয়ামী লীগের প্রত্যেক টা টিভি চ্যানেল, পেপার পত্রিকা গুলো হাসিনার পতনের পর বিএনপিপন্হী সাংবাদিকরা আয়ত্তে নিয়েছে। তারপরেও তারা তিল কে তাল বানিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপির দীর্ঘ সতের বছরে অর্জন কে ধুলায় উড়িয়ে দিচ্ছে।
প্রতিদিন শত শত নেতাকর্মী কে বহিস্কার করার পরেও তাদের অপকর্ম থামানো যায় নাই, তারা বুঝে নাই যে নির্বাচন করেই বিএনপি কে ক্ষমতায় আসতে হবে।
তবে হতাশার কিছু নাই বিএনপির উচিত ডাকসুর নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীকাল সকাল থেকেই দ্রুত নির্বাচন মুখী পরিকল্পনা সাজানো।সুবিধাবাদী বর্গী গোলন্দাজ বাহিনী জেনো টাকার বিনিময়ে পদ পদবী না পায় সেই দিকে খেয়াল রেখে দুঃসময়ের পরিক্ষীত কর্মীদের দিয়ে রণকৌশল সাজানো। গত বছর ৫ই আগস্ট এর পর থেকে কিছু কিছু নেতাকর্মীর এমন ভাব, যেন সে একটা কিছু হয়ে গেছে, এই সমস্ত রামছাগল মার্কা নেতাদের সামলানো না গেলে বিএনপির জন্য সামনে আরো বিপদ অপেক্ষা করছে। অনেক আছে সংগঠনের কথা চিন্তা না করে গ্রুপিং ও এমপি হবার জন্য মেতে উঠেছে পোষ্টার ফেস্টুন দিয়ে শহর মাতিয়ে তুলছে সংগঠন নিয়ে কোন চিন্তা নেই কি ভাবে দলের নতুন নতুন কর্মী তৈরি করতে হবে।