
আবিদ, হামীম ও মায়েদ ওরা কেউ হারে নাই হেরেছি আমরা সারা বাংলাদেশের বিএনপির নেতাকর্মীরা। হাসিনার পতনের পর সারা দেশের জনগন বিশেষ করে তরুন সমাজ বিএনপি কে যেভাবে দেখতে চেয়েছিলো বিএনপি জনগনের কাছে সেইভাবে নিজেকে প্রেজেন্ট করতে পারে নাই।আমাদের ব্যর্থতার দায় নিতে হলো আবিদ হামীম আর মায়েদ-এর মতো কিছু মেধাবী ছাত্রনেতা কে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব বার বার কঠোর নির্দেশ দিলেও বিএনপির কিছু বিপথগামী কর্মীরা তার নির্দেশ পালন না করে উল্টো নানাবিধ অপর্কম করে বিএনপি কে জনগনের বিপক্ষে দাঁড় করিয়েছে।
আওয়ামী লীগের প্রত্যেক টা টিভি চ্যানেল, পেপার পত্রিকা গুলো হাসিনার পতনের পর বিএনপিপন্হী সাংবাদিকরা আয়ত্তে নিয়েছে। তারপরেও তারা তিল কে তাল বানিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিএনপির দীর্ঘ সতের বছরে অর্জন কে ধুলায় উড়িয়ে দিচ্ছে।
প্রতিদিন শত শত নেতাকর্মী কে বহিস্কার করার পরেও তাদের অপকর্ম থামানো যায় নাই, তারা বুঝে নাই যে নির্বাচন করেই বিএনপি কে ক্ষমতায় আসতে হবে।
তবে হতাশার কিছু নাই বিএনপির উচিত ডাকসুর নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীকাল সকাল থেকেই দ্রুত নির্বাচন মুখী পরিকল্পনা সাজানো।সুবিধাবাদী বর্গী গোলন্দাজ বাহিনী জেনো টাকার বিনিময়ে পদ পদবী না পায় সেই দিকে খেয়াল রেখে দুঃসময়ের পরিক্ষীত কর্মীদের দিয়ে রণকৌশল সাজানো। গত বছর ৫ই আগস্ট এর পর থেকে কিছু কিছু নেতাকর্মীর এমন ভাব, যেন সে একটা কিছু হয়ে গেছে, এই সমস্ত রামছাগল মার্কা নেতাদের সামলানো না গেলে বিএনপির জন্য সামনে আরো বিপদ অপেক্ষা করছে। অনেক আছে সংগঠনের কথা চিন্তা না করে গ্রুপিং ও এমপি হবার জন্য মেতে উঠেছে পোষ্টার ফেস্টুন দিয়ে শহর মাতিয়ে তুলছে সংগঠন নিয়ে কোন চিন্তা নেই কি ভাবে দলের নতুন নতুন কর্মী তৈরি করতে হবে।
মোঃ সোহাগ 

















