পটুয়াখালীতে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা

  • মোঃ সোহাগ
  • Update Time : ১২:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৮ Time View

মোঃ মহিউদ্দিন সোহাগ : শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পটুয়াখালীতে মন্ডপে মন্ডপে প্রতিমা তৈরীর শেষ মুহুর্তে প্রতিমা তৈরী ও সাজসজ্জায় রাত-দিন ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। পাশাপাশি আইন শৃংঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃংঙ্খলা বাহিনী র‍্যাব, পুলিশসহ সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা সমূহের সদস্য তৎপর।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, এ বছর পটুয়াখালী সদরসহ ৮ টি উপজেলায় ১৮৪ টি মন্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্ডপ ও মন্দির সমূহের উদযাপন কমিটি।

১৮৪ টি পূজা মন্ডপের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৬ টি, মির্জাগঞ্জে ১৭ টি, দুমকিতে ১০ টি, বাউফলে ৬৬ টি, গলাচিপা ৩১ টি, দশমিনায় ১৪ টি, কলাপাড়ায় ১৪ টি ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৬ টি মন্ডপ। এ সব মন্ডপে প্রতিমা তৈরী সম্পন্ন করে শিল্পীরা এখন রং তুলির কাজে রাতদিন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। অধিকাংশ মন্ডপে সজসজ্জার কাজ শেষ করে মন্ডপ এলাকায় আলোকসজ্জা ও দৃষ্টিনন্দন গেট নির্মানের কাজ করছে ডেকরেটর ও ইলেক্ট্রিশিয়ানের লোকজন।

পটুয়াখালী শহরের নতুন বাজার শ্রী শ্রী জিউর মদনমোহন আখড়াবাড়ি পূজামন্ডপে প্রতিমা তৈরী শিল্পী কলসকাঠির রূপক পাল জানান, প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ করে রং- তুলির কাজও প্রায় শেষ। বুধবার সাজসজ্জার কাজ শেষ করা হবে। রূপক পাল জানান এ বছর বাউফলে ৭টিসহ পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, কালিগঞ্জ, কৃষ্ণকাঠি ও বোয়ালিয়া ১ টি করে ১২ টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরী করছেন। প্রতি মন্ডপে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক পেয়েছেন। তাকে সহযোগীতা করছেন তার ছোট ভাই মানিক পাল।

মন্দিরের পুরোহিত সমির গাঙ্গুলি জানান, ৪ আশ্বিন (২১ সেপ্টেম্বর) রবিবার মহালয়া দেবীর পক্ষের আগমন ঘটে। এ বছর স্বর্গ থেকে দেবীর আগমন গজে (ফলম- শস্যপূর্ণ বসুন্ধরা) এবং দেবীর গমন দোলায়( ফলম- মড়ক)। ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলা ১০ আশ্বিন শনিবার শারদীয় দুর্গাদেবীর বোধন পূজার মধ্যদিয়ে দুর্গোৎসব শুরু হবে এবং ২ অক্টোবর ১৫ আশ্বিন বৃহষ্পতিবার দুর্গাদেবীর দশমী বিহিত সমাপনান্তে বিসর্জনের মধ্যদিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে বলে পুরোহিত সমির গাঙ্গলী জানান।

এ মন্ডপে পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সবুজ দে জানান, এ বছর প্রতিমা শিল্পী, কাদামাটি, খর কুটা, কাট,ককসিট, রং ইত্যাদি বাবদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, প্রতিমা সাজসজ্জা, গেট, লাইটিংসহ অন্যান্য বাবদ ৬ থেকে ৭ লাখ টকা মোট ৮ লাখ টাকা থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা খরচ হবে যা অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশী।

সনাতন ধর্মালম্বী সম্প্রদায়ের সর্বোবৃহৎ শারদীয় দুর্গোৎসব নিরাপদে ও শান্তপুর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসন ও আইনশৃংঙ্খলা বিহিনীর একাধিক সভা করেছেন। ইতিমধ্যে র‍্যাবে-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা মন্ডপ সমূহ পরিদর্শন করছেন।

এদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবে ১৮৪ টি পূজা মন্ডপে আগত ভক্তদের আহার্য্য বাবদ প্রতি মন্ডপে ৫০০ কেজি হারে ৯২.০০০( ৯২মেঃ টন) ত্রান কার্য চাল সংশ্লিস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের অনুকুলে উপ বরাদ্দ প্রদানের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রান ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসাইন নিশ্চিত করেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

পটুয়াখালীতে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা

Update Time : ১২:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মোঃ মহিউদ্দিন সোহাগ : শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে পটুয়াখালীতে মন্ডপে মন্ডপে প্রতিমা তৈরীর শেষ মুহুর্তে প্রতিমা তৈরী ও সাজসজ্জায় রাত-দিন ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পীরা। পাশাপাশি আইন শৃংঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃংঙ্খলা বাহিনী র‍্যাব, পুলিশসহ সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা সমূহের সদস্য তৎপর।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, এ বছর পটুয়াখালী সদরসহ ৮ টি উপজেলায় ১৮৪ টি মন্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপনে প্রস্তুতি নিচ্ছে মন্ডপ ও মন্দির সমূহের উদযাপন কমিটি।

১৮৪ টি পূজা মন্ডপের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৬ টি, মির্জাগঞ্জে ১৭ টি, দুমকিতে ১০ টি, বাউফলে ৬৬ টি, গলাচিপা ৩১ টি, দশমিনায় ১৪ টি, কলাপাড়ায় ১৪ টি ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৬ টি মন্ডপ। এ সব মন্ডপে প্রতিমা তৈরী সম্পন্ন করে শিল্পীরা এখন রং তুলির কাজে রাতদিন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। অধিকাংশ মন্ডপে সজসজ্জার কাজ শেষ করে মন্ডপ এলাকায় আলোকসজ্জা ও দৃষ্টিনন্দন গেট নির্মানের কাজ করছে ডেকরেটর ও ইলেক্ট্রিশিয়ানের লোকজন।

পটুয়াখালী শহরের নতুন বাজার শ্রী শ্রী জিউর মদনমোহন আখড়াবাড়ি পূজামন্ডপে প্রতিমা তৈরী শিল্পী কলসকাঠির রূপক পাল জানান, প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ করে রং- তুলির কাজও প্রায় শেষ। বুধবার সাজসজ্জার কাজ শেষ করা হবে। রূপক পাল জানান এ বছর বাউফলে ৭টিসহ পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, কালিগঞ্জ, কৃষ্ণকাঠি ও বোয়ালিয়া ১ টি করে ১২ টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরী করছেন। প্রতি মন্ডপে ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা করে পারিশ্রমিক পেয়েছেন। তাকে সহযোগীতা করছেন তার ছোট ভাই মানিক পাল।

মন্দিরের পুরোহিত সমির গাঙ্গুলি জানান, ৪ আশ্বিন (২১ সেপ্টেম্বর) রবিবার মহালয়া দেবীর পক্ষের আগমন ঘটে। এ বছর স্বর্গ থেকে দেবীর আগমন গজে (ফলম- শস্যপূর্ণ বসুন্ধরা) এবং দেবীর গমন দোলায়( ফলম- মড়ক)। ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলা ১০ আশ্বিন শনিবার শারদীয় দুর্গাদেবীর বোধন পূজার মধ্যদিয়ে দুর্গোৎসব শুরু হবে এবং ২ অক্টোবর ১৫ আশ্বিন বৃহষ্পতিবার দুর্গাদেবীর দশমী বিহিত সমাপনান্তে বিসর্জনের মধ্যদিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে বলে পুরোহিত সমির গাঙ্গলী জানান।

এ মন্ডপে পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সবুজ দে জানান, এ বছর প্রতিমা শিল্পী, কাদামাটি, খর কুটা, কাট,ককসিট, রং ইত্যাদি বাবদ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, প্রতিমা সাজসজ্জা, গেট, লাইটিংসহ অন্যান্য বাবদ ৬ থেকে ৭ লাখ টকা মোট ৮ লাখ টাকা থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা খরচ হবে যা অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশী।

সনাতন ধর্মালম্বী সম্প্রদায়ের সর্বোবৃহৎ শারদীয় দুর্গোৎসব নিরাপদে ও শান্তপুর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসন ও আইনশৃংঙ্খলা বিহিনীর একাধিক সভা করেছেন। ইতিমধ্যে র‍্যাবে-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা মন্ডপ সমূহ পরিদর্শন করছেন।

এদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবে ১৮৪ টি পূজা মন্ডপে আগত ভক্তদের আহার্য্য বাবদ প্রতি মন্ডপে ৫০০ কেজি হারে ৯২.০০০( ৯২মেঃ টন) ত্রান কার্য চাল সংশ্লিস্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের অনুকুলে উপ বরাদ্দ প্রদানের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রান ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা এস এম দেলোয়ার হোসাইন নিশ্চিত করেছেন।