পটুয়াখালী এলএ শাখায় কানুনগো ও সার্ভেয়ারদের ঘুষ না দিলে ইপিজেডের ও পায়রা বন্দরের টাকা পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৭৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) ও পায়রাবন্দের এলে কেস০৫/২০২২-২৩ দুমকী সেনানিবাসের ক্ষতিগ্রস্তদের জমির ফাইল আটকে ৯\১০ শতাংশ ঘুষের টাকা দাবি করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কানুনগো ও কতিপয় এল.এ শাখার সার্ভেয়ারেরা । এ বিষয়ে বিভিন্ন সমায়ে ভূমি মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগীরা কিন্তু কোন কাজ হয় না।

লিখিত অভিযোগ বলা হয়েছে, আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পঁচাকোড়ালিয়া গ্রামে সরকার চার শতাধিক জমি ও পায়রা বন্দরের অধিগ্রহণ করেন। কিন্তু সেই জমির টাকা পেতে ৯/১০ শতাংশ টাকা ঘুষ দাবি করেন এল.এ শাখার কানুনগো ও সার্ভেয়ারা,তাদের ঘুষের টাকা না দিলে ভুক্তভোগীদের ফাইল দিনের পরদিন আটকে রাখেন সার্ভেয়ার ও কানুনগো । তবে সার্ভেয়ারদের ঘুষের টাকা দিলে জমিজমার ভূয়া কাগজপত্র দাখিল করলেও টাকা পাচ্ছেন অনেকে। এছাড়া বেশকিছুদিন আগে একই বিষয়ে সার্ভেয়ার সাদ্দাম হোসাইন, নাজমুল, শাহাবুদ্দিন মুন্সি, সহ বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন পঁচাকোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন মৃধা,
তবে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের দাবি তারা যেন সার্ভেয়ারদের ঘুষ দেয়া ছাড়াই টাকা তুলতে পারেন এমন দাবি করেন অনেক ভুক্তভোগীরা।
পটুয়াখালী ডিসি অফিসে এল/এ শাখার দুর্নীতি অভিযোগ রয়েছে অনেক পটুয়াখালী ডিসি অফিসের ভূমি অধিকরণ শাখা এল/এ কানুনগো এবং সার্ভেয়ার দের নামে বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্নীতি, জ্ঞাত বহিভূত সম্পদ সম্পত্তি এবং ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে, প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে জানা যায় এখানে প্রত্যেক কানুনগো এবং সার্ভেয়ারদের নামে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে জ্ঞাত বহিভূত সম্পদ সম্পত্তি অর্জন এবং দুর্নীতি এবং ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রত্যেকে কোটিপতি বনে গেছেন।
কানুনগো এবং সার্ভেয়ার দের নাম প্রকাশ করা হলো যথাক্রমে, কানুনগো ফজলুর রহমান এল/এ শাখায় কর্মরত ছিলেন বর্তমানে এস/এ শাখায় পদমর্যাদা হয়েছে কিন্তু সে এখনো এল/এ শাখায় কাজ করে চলছে,কানুনগো ইব্রাহিম এল/এ শাখা, কানুনগো শহিদুল এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার আসাদ এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার আবুল কালাম এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার মুজিবর এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার নাজমুল এল/এ শাখা,সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সাদ্দাম সহ আরো বেশ কয়েকজন এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে যানা গেছে ।
সার্ভায়ার মোঃ আসাদ সাহেব, ১২% থেকে ১৫%এর নিচে কোন কাজ ধরে না। এর বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার বরিশালের এর কাছে একাধিক বার নালিশ করে ভুক্তভোগীরা কিন্তু কোন লাভ হয়নি। এমনকি তার মূল পোস্টিং খুলনা জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়,কিন্তু সে পটুয়াখালীতে কর্মরত আছেন ১১ বৎসর যাবদ, খুলনা বিভাগে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী বরাবর আবেদন করলেও অদৃশ্য কারণে তা উপস্থাপন করা হয়না, বরং একজন প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকারী সার্ভেয়ারকে জেলাপ্রশাসক এর গুরুত্ব পূর্ণ এল এ শাখায় দেয়া হয়।

সার্ভায়ার নাজমুল ও সার্ভায়ার কলাম , ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এর নিকট হতে জানা যায় তাঁরা দুই জন সার্ভায়ার মিলে একাধিক পরিবারের নিকট থেকে বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল ও জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী এর নাম বলে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে বলে যানা যায়, যা বিভাগীয় তদন্ত চলছে।

দুর্নীতির আরেক নাম সার্ভায়ার সাদ্দাম হোসেন, এখন তিনি পটুয়াখালী সদর ভূমি অফিসে কর্মরত আছেন পটুয়াখালী এলে শাখায় থাকাকালী (ইপিজেড) ও পায়রা বন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছ থেকে সরাসরি ৯/১০% করে ঘুস নিতেন প্রত্যেক ফাইল থেকে,সার্ভায়ার সাদ্দাম হোসেন কোটি টাকার মালিক এখন।
এলে শাখার কানুনগো মোঃ শহিদুল ইসলাম ও মোঃ ইব্রাহিম কে টাকা দিলে কাগজ এর কোন প্রোয়জন হয় না, তাদের প্রতি ফাইলে ৫% টাকা না দিলে এই কাগজ নাই ঐ কাগজ লাগবে বলে দিনের পর দিন ঘুরায়। ভুক্তভোগীদের দাবি এদেরকে তাড়াতাড়ি বদলি করে ভালো লোককে নিয়োগ দেওয়া হোক।

আ/স/২০/০২/২০২৫/আকাশ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

পটুয়াখালী এলএ শাখায় কানুনগো ও সার্ভেয়ারদের ঘুষ না দিলে ইপিজেডের ও পায়রা বন্দরের টাকা পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা

Update Time : ০৬:১৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) ও পায়রাবন্দের এলে কেস০৫/২০২২-২৩ দুমকী সেনানিবাসের ক্ষতিগ্রস্তদের জমির ফাইল আটকে ৯\১০ শতাংশ ঘুষের টাকা দাবি করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কানুনগো ও কতিপয় এল.এ শাখার সার্ভেয়ারেরা । এ বিষয়ে বিভিন্ন সমায়ে ভূমি মন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগীরা কিন্তু কোন কাজ হয় না।

লিখিত অভিযোগ বলা হয়েছে, আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পঁচাকোড়ালিয়া গ্রামে সরকার চার শতাধিক জমি ও পায়রা বন্দরের অধিগ্রহণ করেন। কিন্তু সেই জমির টাকা পেতে ৯/১০ শতাংশ টাকা ঘুষ দাবি করেন এল.এ শাখার কানুনগো ও সার্ভেয়ারা,তাদের ঘুষের টাকা না দিলে ভুক্তভোগীদের ফাইল দিনের পরদিন আটকে রাখেন সার্ভেয়ার ও কানুনগো । তবে সার্ভেয়ারদের ঘুষের টাকা দিলে জমিজমার ভূয়া কাগজপত্র দাখিল করলেও টাকা পাচ্ছেন অনেকে। এছাড়া বেশকিছুদিন আগে একই বিষয়ে সার্ভেয়ার সাদ্দাম হোসাইন, নাজমুল, শাহাবুদ্দিন মুন্সি, সহ বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন পঁচাকোড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন মৃধা,
তবে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের দাবি তারা যেন সার্ভেয়ারদের ঘুষ দেয়া ছাড়াই টাকা তুলতে পারেন এমন দাবি করেন অনেক ভুক্তভোগীরা।
পটুয়াখালী ডিসি অফিসে এল/এ শাখার দুর্নীতি অভিযোগ রয়েছে অনেক পটুয়াখালী ডিসি অফিসের ভূমি অধিকরণ শাখা এল/এ কানুনগো এবং সার্ভেয়ার দের নামে বিভিন্ন অনিয়ম,দুর্নীতি, জ্ঞাত বহিভূত সম্পদ সম্পত্তি এবং ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে, প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে জানা যায় এখানে প্রত্যেক কানুনগো এবং সার্ভেয়ারদের নামে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে জ্ঞাত বহিভূত সম্পদ সম্পত্তি অর্জন এবং দুর্নীতি এবং ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে প্রত্যেকে কোটিপতি বনে গেছেন।
কানুনগো এবং সার্ভেয়ার দের নাম প্রকাশ করা হলো যথাক্রমে, কানুনগো ফজলুর রহমান এল/এ শাখায় কর্মরত ছিলেন বর্তমানে এস/এ শাখায় পদমর্যাদা হয়েছে কিন্তু সে এখনো এল/এ শাখায় কাজ করে চলছে,কানুনগো ইব্রাহিম এল/এ শাখা, কানুনগো শহিদুল এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার আসাদ এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার আবুল কালাম এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার মুজিবর এল/এ শাখা,সার্ভেয়ার নাজমুল এল/এ শাখা,সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সাদ্দাম সহ আরো বেশ কয়েকজন এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে যানা গেছে ।
সার্ভায়ার মোঃ আসাদ সাহেব, ১২% থেকে ১৫%এর নিচে কোন কাজ ধরে না। এর বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার বরিশালের এর কাছে একাধিক বার নালিশ করে ভুক্তভোগীরা কিন্তু কোন লাভ হয়নি। এমনকি তার মূল পোস্টিং খুলনা জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়,কিন্তু সে পটুয়াখালীতে কর্মরত আছেন ১১ বৎসর যাবদ, খুলনা বিভাগে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী বরাবর আবেদন করলেও অদৃশ্য কারণে তা উপস্থাপন করা হয়না, বরং একজন প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকারী সার্ভেয়ারকে জেলাপ্রশাসক এর গুরুত্ব পূর্ণ এল এ শাখায় দেয়া হয়।

সার্ভায়ার নাজমুল ও সার্ভায়ার কলাম , ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এর নিকট হতে জানা যায় তাঁরা দুই জন সার্ভায়ার মিলে একাধিক পরিবারের নিকট থেকে বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল ও জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী এর নাম বলে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে বলে যানা যায়, যা বিভাগীয় তদন্ত চলছে।

দুর্নীতির আরেক নাম সার্ভায়ার সাদ্দাম হোসেন, এখন তিনি পটুয়াখালী সদর ভূমি অফিসে কর্মরত আছেন পটুয়াখালী এলে শাখায় থাকাকালী (ইপিজেড) ও পায়রা বন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছ থেকে সরাসরি ৯/১০% করে ঘুস নিতেন প্রত্যেক ফাইল থেকে,সার্ভায়ার সাদ্দাম হোসেন কোটি টাকার মালিক এখন।
এলে শাখার কানুনগো মোঃ শহিদুল ইসলাম ও মোঃ ইব্রাহিম কে টাকা দিলে কাগজ এর কোন প্রোয়জন হয় না, তাদের প্রতি ফাইলে ৫% টাকা না দিলে এই কাগজ নাই ঐ কাগজ লাগবে বলে দিনের পর দিন ঘুরায়। ভুক্তভোগীদের দাবি এদেরকে তাড়াতাড়ি বদলি করে ভালো লোককে নিয়োগ দেওয়া হোক।

আ/স/২০/০২/২০২৫/আকাশ