ফেসবুক পোস্টের অভিযোগে আটক ভোলার নারী জামায়াত কর্মী সাওদা সুমি জামিনে মুক্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ Time View

 

এনামুল হক রাশেদীঃ

ফেসবুকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী পোস্ট করার অভিযোগে আটক ভোলার জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী সাওদা সুমি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভোলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সৌরভ রায় মিঠু তার জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। পরদিন সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সাওদা সুমি ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং আব্দুল হালিম বাবলুর স্ত্রী।
জেলার পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার জানান, ফেসবুকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। পরে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়। তবে আটককালে তিনি জামায়াতের কর্মী কি না, তা জানা ছিল না বলেও উল্লেখ করেন পুলিশ সুপার।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (৬ এপ্রিল) জেলা জামায়াতের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা সেক্রেটারি মো. হারুন অর রশীদ দাবি করেন, কোনো দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই সাওদা সুমিকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাওদা সুমির একটি তিন বছর বয়সী বাক্‌প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে, যার দেখভালের জন্য মায়ের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
ভোলা পৌরসভা মহিলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বিবি সাওদাকে রাতের বেলা নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনটি ঘটনাটিকে অমানবিক ও অনভিপ্রেত উল্লেখ করে অবিলম্বে ওই নারীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দলটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল। তিনি এই গ্রেপ্তারকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থি বলে অভিহিত করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার রাত ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিবি সাওদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের কারণ জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ’ থাকার কথা জানায়। কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া একজন নারীকে গভীর রাতে গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে সাওদা সুমির গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকসু ভিপি সাদিক কায়িম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ভোলার জামায়াতকর্মী বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তারের ঘটনা পুরনো ফ্যাসিবাদী নিপীড়নেরই অনুকরণ। তিন বছরের এক বাকপ্রতিবন্ধী শিশুর মাকে এভাবে বিনা অপরাধে নিজ বাসা থেকে মধ্যরাতে তুলে নেওয়া শুধু অমানবিক নয়, বরং ভিন্নমত দমনে নবগঠিত সরকারের সুপ্ত মনোবাসনার বহিঃপ্রকাশ।
তিনি আরও বলেন, যারা একসময় নিজেরাই ফ্যাসিবাদের শিকার ছিলেন, তাদের শাসনামলে এমন অযৌক্তিক গ্রেপ্তার ও হয়রানি কাম্য নয়। অবিলম্বে সাওদা সুমির মুক্তি এবং প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে সাওদা সুমির গ্রেপ্তারের পর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার)সহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অনেক নেটিজেন এই গ্রেপ্তারকে বাকস্বাধীনতা হরণের অপকৌশল বলে মন্তব্য করে সাওদা সুমির মুক্তির দাবি জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

ফেসবুক পোস্টের অভিযোগে আটক ভোলার নারী জামায়াত কর্মী সাওদা সুমি জামিনে মুক্ত

Update Time : ০৬:০৮:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

এনামুল হক রাশেদীঃ

ফেসবুকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী পোস্ট করার অভিযোগে আটক ভোলার জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী সাওদা সুমি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ভোলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সৌরভ রায় মিঠু তার জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। পরদিন সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সাওদা সুমি ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং আব্দুল হালিম বাবলুর স্ত্রী।
জেলার পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার জানান, ফেসবুকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগ স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। পরে তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়। তবে আটককালে তিনি জামায়াতের কর্মী কি না, তা জানা ছিল না বলেও উল্লেখ করেন পুলিশ সুপার।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (৬ এপ্রিল) জেলা জামায়াতের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা সেক্রেটারি মো. হারুন অর রশীদ দাবি করেন, কোনো দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই সাওদা সুমিকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাওদা সুমির একটি তিন বছর বয়সী বাক্‌প্রতিবন্ধী সন্তান রয়েছে, যার দেখভালের জন্য মায়ের উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।
ভোলা পৌরসভা মহিলা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বিবি সাওদাকে রাতের বেলা নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংগঠনটি ঘটনাটিকে অমানবিক ও অনভিপ্রেত উল্লেখ করে অবিলম্বে ওই নারীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দলটির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল। তিনি এই গ্রেপ্তারকে গণতান্ত্রিক পরিবেশের পরিপন্থি বলে অভিহিত করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, রোববার রাত ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিবি সাওদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে তুলে নিয়ে যায়। গ্রেপ্তারের কারণ জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বাহিনী ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ’ থাকার কথা জানায়। কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া একজন নারীকে গভীর রাতে গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় জনমনে ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে সাওদা সুমির গ্রেপ্তারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঢাকসু ভিপি সাদিক কায়িম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ভোলার জামায়াতকর্মী বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তারের ঘটনা পুরনো ফ্যাসিবাদী নিপীড়নেরই অনুকরণ। তিন বছরের এক বাকপ্রতিবন্ধী শিশুর মাকে এভাবে বিনা অপরাধে নিজ বাসা থেকে মধ্যরাতে তুলে নেওয়া শুধু অমানবিক নয়, বরং ভিন্নমত দমনে নবগঠিত সরকারের সুপ্ত মনোবাসনার বহিঃপ্রকাশ।
তিনি আরও বলেন, যারা একসময় নিজেরাই ফ্যাসিবাদের শিকার ছিলেন, তাদের শাসনামলে এমন অযৌক্তিক গ্রেপ্তার ও হয়রানি কাম্য নয়। অবিলম্বে সাওদা সুমির মুক্তি এবং প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধের দাবি জানান তিনি।
অন্যদিকে সাওদা সুমির গ্রেপ্তারের পর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও এক্স (সাবেক টুইটার)সহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অনেক নেটিজেন এই গ্রেপ্তারকে বাকস্বাধীনতা হরণের অপকৌশল বলে মন্তব্য করে সাওদা সুমির মুক্তির দাবি জানান।