মহিপুর থানা পুলিশের আয়োজনে “ওপেন হাউজ ডে ” অনুষ্ঠিত

মিজানুর রহমান রিপন: কলাপাড়া (পটুয়াখালী)। : পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা পুলিশের আয়োজনে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টার পর থানা প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাহামুদ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো: আনোয়ার জাহিদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমীর সরকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পটুয়াখালী, এস এম মাহাবুব হোসেন সহকারী পুলিশ সুপার কলাপাড়া সার্কেল এবং মো:নাজমুল আহসান কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পরিদর্শক ।

এ সময় মহিপুর থানা ও কুয়াকাটা পৌরসভার বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,শিক্ষাবিদ,সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ,বিভিন্ন মামলার বাদী ও স্থানীয় গনমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার বলেন, সমাজে মাদকের বিস্তারের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার দায়ী। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ঘরে ঘরে চাকুরির পরিবর্তে যুবকদের হাতে মাদক তুলে দিয়েছে।এ কারণেই আজকে সারাদেশে মাদকে যুব সমাজ ধংসের দ্বারপ্রান্তে,এ থেকে আমাদের পরিত্রান পেতে হলে সকলকে একযোগে মাদকের বিরুদ্ধ কাজ করতে হবে।

মহিপুর থানা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন,মহিপুর থানা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ মাদককে কখনো প্রশ্রয় দিবেনা।মাদকের বিরুদ্ধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে আমরা একযোগে কাজ করবো।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিপুর ইউনিয়ন সভাপতি তোফাজ্জেল হোসাইন সিপাহী বলেন, পূর্বের তুলনায় পুলিশের ইতিবাচক পরিবর্তন হলেও এখনো কিছু অসৎ কর্মকর্তা ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।এছাড়া অন্যান্য অতিথিরা সমাজে মাদক বিস্তর, পতিতাবৃত্তি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

বিশেষ ব্যক্তিদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সভাপতি আ:আজিজ মুসুল্লী,সাধারন সম্পাদক মো:মতিউর রহমান হাওলাদার,বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন সহ অনেকে এবং বিশেষ ব্যক্তিদের মধ্যে আরো উপস্হিত ছিলেন,লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মহিউদ্দীন মুসুল্লী সুলতান,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজী মো: মজনু, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো:মিজানুর রহমান হাওলাদার প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পটুয়াখিলী জেলার পুলিশ সুপার মো: আনোয়ার জাহিদ বলেন, জনগণের সেবায় পুলিশ সেবাদিতে সবসময় বদ্ধপরিকর। পুলিশিসেবা জনগনের দোঁড়গোড়ায় পৌঁছাতে আমরা সর্বদা সচেষ্ট।আপনাদের যে কোনো সমস্যায় সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করুন। যদি থানার পক্ষ থেকে অবহেলার শিকার হন, তবে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা সম্ভব নয়। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমেই অপরাধ দমন সহজ হবে।

এ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহিপুর থানার ওসি(তদন্ত) অনিমেষ হালদার।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

মহিপুর থানা পুলিশের আয়োজনে “ওপেন হাউজ ডে ” অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৯:১৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

মিজানুর রহমান রিপন: কলাপাড়া (পটুয়াখালী)। : পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা পুলিশের আয়োজনে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১ টার পর থানা প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাহামুদ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো: আনোয়ার জাহিদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমীর সরকার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পটুয়াখালী, এস এম মাহাবুব হোসেন সহকারী পুলিশ সুপার কলাপাড়া সার্কেল এবং মো:নাজমুল আহসান কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পরিদর্শক ।

এ সময় মহিপুর থানা ও কুয়াকাটা পৌরসভার বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,শিক্ষাবিদ,সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ,বিভিন্ন মামলার বাদী ও স্থানীয় গনমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় মহিপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার বলেন, সমাজে মাদকের বিস্তারের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার দায়ী। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ঘরে ঘরে চাকুরির পরিবর্তে যুবকদের হাতে মাদক তুলে দিয়েছে।এ কারণেই আজকে সারাদেশে মাদকে যুব সমাজ ধংসের দ্বারপ্রান্তে,এ থেকে আমাদের পরিত্রান পেতে হলে সকলকে একযোগে মাদকের বিরুদ্ধ কাজ করতে হবে।

মহিপুর থানা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন,মহিপুর থানা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ মাদককে কখনো প্রশ্রয় দিবেনা।মাদকের বিরুদ্ধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে আমরা একযোগে কাজ করবো।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিপুর ইউনিয়ন সভাপতি তোফাজ্জেল হোসাইন সিপাহী বলেন, পূর্বের তুলনায় পুলিশের ইতিবাচক পরিবর্তন হলেও এখনো কিছু অসৎ কর্মকর্তা ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।এছাড়া অন্যান্য অতিথিরা সমাজে মাদক বিস্তর, পতিতাবৃত্তি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

বিশেষ ব্যক্তিদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপি’র সভাপতি আ:আজিজ মুসুল্লী,সাধারন সম্পাদক মো:মতিউর রহমান হাওলাদার,বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন সহ অনেকে এবং বিশেষ ব্যক্তিদের মধ্যে আরো উপস্হিত ছিলেন,লতাচাপলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মহিউদ্দীন মুসুল্লী সুলতান,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গাজী মো: মজনু, মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মো:মিজানুর রহমান হাওলাদার প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পটুয়াখিলী জেলার পুলিশ সুপার মো: আনোয়ার জাহিদ বলেন, জনগণের সেবায় পুলিশ সেবাদিতে সবসময় বদ্ধপরিকর। পুলিশিসেবা জনগনের দোঁড়গোড়ায় পৌঁছাতে আমরা সর্বদা সচেষ্ট।আপনাদের যে কোনো সমস্যায় সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করুন। যদি থানার পক্ষ থেকে অবহেলার শিকার হন, তবে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা সম্ভব নয়। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমেই অপরাধ দমন সহজ হবে।

এ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহিপুর থানার ওসি(তদন্ত) অনিমেষ হালদার।