রাঙ্গামাটিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ০৫ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২ Time View

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার।

সোববার ( ৬ এপ্রিল)২৬খ্রিঃ।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে বাংলা নববর্ষ, বৈসাবি – ১৪৩৩ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
র‍্যালি’টি রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ হতে শুরু হয়ে সদরস্থ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়ে বেলুন উড়ানোর মধ্যে দিয়ে ০৫ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে পালিত হবে এবং মারমাদের ঐতিহ্যবাহী “জলকেলি”উৎসবের মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা,
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক,
কর্নেল মোহাম্মদ সাদাত বিন শহিদ,
লেঃ কর্নেল একরামুল রাহাত,
নাজমা আশরাফী, জেলা প্রশাসক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা,
মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, পুলিশ সুপার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা,
সহ আরও উপস্থিত ছিলেন-ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।

এসময় বক্তব্যকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সরকারের লক্ষ্য হলো সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো প্রকার বৈষম্য না রাখা এবং দেশকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়া।
মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড় এবং সমতলে সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
সকলকে শান্তি-শৃঙ্খলার সাথে আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসব পালনের আহ্বান জানান।

অন্য দিকে পুলিশ সুপারের বক্তব্যে’তে বলেন
উৎসব- আনন্দ সকলের জন্য, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সকলকে আইন মেনে চলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব।

এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

রাঙ্গামাটিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ০৫ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন।

Update Time : ০৬:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

এম এস শ্রাবন মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার।

সোববার ( ৬ এপ্রিল)২৬খ্রিঃ।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও রাঙ্গামাটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে বাংলা নববর্ষ, বৈসাবি – ১৪৩৩ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
র‍্যালি’টি রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ হতে শুরু হয়ে সদরস্থ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়ে বেলুন উড়ানোর মধ্যে দিয়ে ০৫ দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল মূল উৎসব ঘরোয়াভাবে পালিত হবে এবং মারমাদের ঐতিহ্যবাহী “জলকেলি”উৎসবের মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা,
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক,
কর্নেল মোহাম্মদ সাদাত বিন শহিদ,
লেঃ কর্নেল একরামুল রাহাত,
নাজমা আশরাফী, জেলা প্রশাসক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা,
মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম, পুলিশ সুপার, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা,
সহ আরও উপস্থিত ছিলেন-ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক জীতেন চাকমা।

এসময় বক্তব্যকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সরকারের লক্ষ্য হলো সমতল ও পাহাড়ের মধ্যে কোনো প্রকার বৈষম্য না রাখা এবং দেশকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়া।
মন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড় এবং সমতলে সমান উন্নয়নের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
সকলকে শান্তি-শৃঙ্খলার সাথে আনন্দঘন পরিবেশে এই উৎসব পালনের আহ্বান জানান।

অন্য দিকে পুলিশ সুপারের বক্তব্যে’তে বলেন
উৎসব- আনন্দ সকলের জন্য, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সকলকে আইন মেনে চলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পার্বত্য অঞ্চল গড়ে তোলা সম্ভব।

এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।