আসাদুজ্জামান জনিকে নিয়ে দৈনিক কল্যান পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা ও বানোয়াট

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫
  • ১৩৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : আমি মোঃ আসাদুজ্জামান জনি, পিতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার, সাং- নওয়াপাড়া বাজার, ওয়ার্ড নং -৬, থানা- অভয়নগর, জেলা- যশোর। আমার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স জনি এন্টারপ্রাইজ ও কণা ইকো পার্ক। আমার শিপিং ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসা আছে। আমি বর্তমানে নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির বিপুল ভোটে নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক। অত্যন্ত সুনামের সাথে নওয়াপাড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নওয়াপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়াও নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউটের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সদস্য পদে আছি। গত ০৫-০৫-২০২৫ইং তারিখ শনিবার যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কল্যান পত্রিকার প্রথম পাতায় ” ঘাট- মাদক সব নিয়ন্ত্রনে অপ্রতিরোধ্য জনি” প্রধান শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ও সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীদের লালনকারী সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজ খ্যাত হলুদ সাংবাদিক দৈনিক কল্যান পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এহসান-উদ-দৌলা মিথুনের এহেন ন্যক্কারজন কাজের প্রতি ধিক্কার জানাচ্ছি। পাশাপাশি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া দৈনিক কল্যান পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক এমন হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনসহ অন্তবর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ভৈরব নদের বালু উত্তোলন করে ভৈরব নদকে ধ্বংস করায় জনভোগান্তি লাঘবে প্রতিবাদ করি আমি। পতিত আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর সন্ত্রাসী জাহিদ গাজীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেই। এ ঘটনার পর যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কল্যানের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এহাসন-উদ-দৌলা মিথুন আমাকে একাধিকবার ফোন করে জাহিদ গাজীর সাথে সমাঝোতা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে অন্যথায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেয়। কিন্তু আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ গাজীর সাথে কোন সমঝোতা করতে রাজী না হওয়াই এবং কাকতালিয়ভাবে ০৫-০৫-২০২৫ ইং তারিখে সন্ত্রাসী জাহিদ গাজী প্রশাসনের হাতে আটক হওয়ায় হিতাহিত জ্ঞান শূণ্য হয়ে পড়েন এহসান-উদ-দৌলা মিথুন।   তিনি তার নিজের পত্রিকায় মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নওয়াপাড়ায় আমার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী ও দখলবাজির কোন অভিযোগ নাই। আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও কর্মী ছাড়া আমার কোন বাহিনী নাই। আমার রাজনৈতিক সফলতা ও কর্মীবান্ধব মানসিকতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে, নিজ দলের থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী গোলাম হায়দার ডাব্লুসহ কতিপয় কুচক্রী নেতা ইতিপূর্বে আমার বিরুদ্ধে যশোর জেলা বিএনপির কাছে ভিত্তিহীন একাধিক অভিযোগ করে। জেলা বিএনপি তদন্ত করে কোন সত্যতা না পওয়ায় একই অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে পাঠান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গণতন্ত্রের প্রতিক তারেক রহমানের কাছেও পাঠান। কেন্দ্রীয় বিএনপিও এর কোন সত্যতা না পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু হলুদ সাংবাদিক মিথুন বিএনপি নেতা ডাব কাজীর সাথে বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট সখ্যতায় সেই মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ গুলো তুলে ধরে পূণরায় নিজের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি দ্ব্যার্থহীন ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়ে ঘোষণা করছি নওয়াপাড়ায় কোন ঘাট দখল হয়নি। প্রতিটি ঘাট স্ব স্ব মালিকদের দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে। কোন মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নওয়াপাড়ার আপামর জনসাধারনের ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

আসাদুজ্জামান জনিকে নিয়ে দৈনিক কল্যান পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা ও বানোয়াট

Update Time : ০১:৫৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মে ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : আমি মোঃ আসাদুজ্জামান জনি, পিতা আলহাজ্ব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান মজুমদার, সাং- নওয়াপাড়া বাজার, ওয়ার্ড নং -৬, থানা- অভয়নগর, জেলা- যশোর। আমার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স জনি এন্টারপ্রাইজ ও কণা ইকো পার্ক। আমার শিপিং ব্যবসাসহ অন্যান্য ব্যবসা আছে। আমি বর্তমানে নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির বিপুল ভোটে নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক। অত্যন্ত সুনামের সাথে নওয়াপাড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নওয়াপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়াও নওয়াপাড়া ইনস্টিটিউটের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য পদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সদস্য পদে আছি। গত ০৫-০৫-২০২৫ইং তারিখ শনিবার যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কল্যান পত্রিকার প্রথম পাতায় ” ঘাট- মাদক সব নিয়ন্ত্রনে অপ্রতিরোধ্য জনি” প্রধান শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি প্রকাশিত সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর ও সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ীদের লালনকারী সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজ খ্যাত হলুদ সাংবাদিক দৈনিক কল্যান পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এহসান-উদ-দৌলা মিথুনের এহেন ন্যক্কারজন কাজের প্রতি ধিক্কার জানাচ্ছি। পাশাপাশি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া দৈনিক কল্যান পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক এমন হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনসহ অন্তবর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ভৈরব নদের বালু উত্তোলন করে ভৈরব নদকে ধ্বংস করায় জনভোগান্তি লাঘবে প্রতিবাদ করি আমি। পতিত আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসর সন্ত্রাসী জাহিদ গাজীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেই। এ ঘটনার পর যশোর থেকে প্রকাশিত দৈনিক কল্যানের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এহাসন-উদ-দৌলা মিথুন আমাকে একাধিকবার ফোন করে জাহিদ গাজীর সাথে সমাঝোতা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে অন্যথায় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেয়। কিন্তু আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী জাহিদ গাজীর সাথে কোন সমঝোতা করতে রাজী না হওয়াই এবং কাকতালিয়ভাবে ০৫-০৫-২০২৫ ইং তারিখে সন্ত্রাসী জাহিদ গাজী প্রশাসনের হাতে আটক হওয়ায় হিতাহিত জ্ঞান শূণ্য হয়ে পড়েন এহসান-উদ-দৌলা মিথুন।   তিনি তার নিজের পত্রিকায় মিথ্যা ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নওয়াপাড়ায় আমার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী ও দখলবাজির কোন অভিযোগ নাই। আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও কর্মী ছাড়া আমার কোন বাহিনী নাই। আমার রাজনৈতিক সফলতা ও কর্মীবান্ধব মানসিকতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে, নিজ দলের থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী গোলাম হায়দার ডাব্লুসহ কতিপয় কুচক্রী নেতা ইতিপূর্বে আমার বিরুদ্ধে যশোর জেলা বিএনপির কাছে ভিত্তিহীন একাধিক অভিযোগ করে। জেলা বিএনপি তদন্ত করে কোন সত্যতা না পওয়ায় একই অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে পাঠান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গণতন্ত্রের প্রতিক তারেক রহমানের কাছেও পাঠান। কেন্দ্রীয় বিএনপিও এর কোন সত্যতা না পেয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন। কিন্তু হলুদ সাংবাদিক মিথুন বিএনপি নেতা ডাব কাজীর সাথে বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট সখ্যতায় সেই মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ গুলো তুলে ধরে পূণরায় নিজের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি দ্ব্যার্থহীন ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়ে ঘোষণা করছি নওয়াপাড়ায় কোন ঘাট দখল হয়নি। প্রতিটি ঘাট স্ব স্ব মালিকদের দ্বারাই পরিচালিত হচ্ছে। কোন মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নওয়াপাড়ার আপামর জনসাধারনের ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম।