পটুয়াখালীর মহিপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

মিজানুর রহমান রিপন : শনিবার (২৬ জুলাই) পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সভা সকাল ১০.০০ টায় মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আ: জলিল হাওলাদার এর সভাপতিত্বে মহিপুর থানার পূর্নাঙ্গ কমিটির সকল সদস্য এবং চারটি ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গ , সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান হাজী মোঃ ফজলু গাজী সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যান বলেন, আগামীকাল থেকেই গ্রাম পর্যায়ে প্রত্যেক ভোটারদের কাছে গিয়ে এবিএম মোশারফ হোসেনের জন্য সকল নেতাকর্মীদের ভোট প্রার্থনা করতে হবে এবং যেকোন মূল্যে মহিপুর থানা বিএনপির কোনো নেতা কর্মী অপকর্মে যেন লিপ্ত না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার বলেন, ইতিপূর্বে যদি কোনো নেতা কর্মী অন্যায় কাজ করেও থাকেন তা ভুলে গিয়ে চূড়ান্ত সতর্ক হয়ে যান। আগামীকাল থেকে নেতা কর্মীরা যদি যেকোনো অন্যায় বা অপকর্মে লিপ্ত হন তাৎক্ষণিকভাবে ঐ নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্হানীয় নেতা কর্মীর অপকর্মের কারণে আমাদের নেতা এবিএম মোশারফ হোসেনের কেন্দ্রে সুনাম ক্ষুন্ন হবে এটা কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যাবে না।

মহিপুর থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মুসুল্লী সুলতান বলেন, থানা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমন্বয়ে চার ইউনিয়নের জন্য গোপন পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করে নেতা কর্মীর কার্যক্রম মনিটরিং করার প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, দক্ষ সংগঠক ও সিনিয়র আইনজীবী মোঃ শাহজাহান পারভেজ এবং সহযোগী হিসেবে উপস্থাপনা করেন মহিপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউসুফ হাওলাদার। এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, আজকের এই থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সভার পরবর্তীতে চারটি ইউনিয়নের সাংগঠনিক টিম গঠন করে প্রতিটি ইউনিয়ন ভিত্তিক সাংগঠনিক সভা হবে। সেখান থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক কমিটি গঠন এবং ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সকল ভোটারদের কাছে গিয়ে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব এবিএম মোশারফ হোসেন এর জন্য ভোট প্রার্থনা করতে হবে এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে এবিএম মোশারফ হোসেন কে বিজয়ী করে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী আলোচনায় নেতৃবৃন্দ তাদের আত্মা সমালোচনা, সংগঠনের গতিশীলতা, সাংগঠনিক দুর্বলতা, নেতাদের দায়িত্ব, কর্তব্য, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কাজী নাসির উদ্দিন, ইউসুফ হাওলাদার বাদল, সহিদুল ইসলাম হাওলাদার,মিজানুর রহমান হাওলাদার, সেলিম হাওলাদার, সাখাওয়াত হোসেন, শাহাজাদা, হাজী আঃ কুদ্দুস মাহমুদ,ফকরুল ইসলাম,মিজানুর রহমান প্যাদা, আক্কাস ,ফরিদ খান, মোফাজ্জেল হিরো, ফেরদৌস মুন্না, রেজা ,মনির মুসুল্লী , হেলেন কিলার বিউটি, রহিমা আক্তার রূপা, সম্রাট প্রমুখ ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

পটুয়াখালীর মহিপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত

Update Time : ০১:১৭:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

মিজানুর রহমান রিপন : শনিবার (২৬ জুলাই) পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সভা সকাল ১০.০০ টায় মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আ: জলিল হাওলাদার এর সভাপতিত্বে মহিপুর থানার পূর্নাঙ্গ কমিটির সকল সদস্য এবং চারটি ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গ , সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের স্বনামধন্য চেয়ারম্যান হাজী মোঃ ফজলু গাজী সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যান বলেন, আগামীকাল থেকেই গ্রাম পর্যায়ে প্রত্যেক ভোটারদের কাছে গিয়ে এবিএম মোশারফ হোসেনের জন্য সকল নেতাকর্মীদের ভোট প্রার্থনা করতে হবে এবং যেকোন মূল্যে মহিপুর থানা বিএনপির কোনো নেতা কর্মী অপকর্মে যেন লিপ্ত না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আঃ জলিল হাওলাদার বলেন, ইতিপূর্বে যদি কোনো নেতা কর্মী অন্যায় কাজ করেও থাকেন তা ভুলে গিয়ে চূড়ান্ত সতর্ক হয়ে যান। আগামীকাল থেকে নেতা কর্মীরা যদি যেকোনো অন্যায় বা অপকর্মে লিপ্ত হন তাৎক্ষণিকভাবে ঐ নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্হানীয় নেতা কর্মীর অপকর্মের কারণে আমাদের নেতা এবিএম মোশারফ হোসেনের কেন্দ্রে সুনাম ক্ষুন্ন হবে এটা কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যাবে না।

মহিপুর থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মুসুল্লী সুলতান বলেন, থানা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সমন্বয়ে চার ইউনিয়নের জন্য গোপন পর্যবেক্ষণ কমিটি গঠন করে নেতা কর্মীর কার্যক্রম মনিটরিং করার প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, দক্ষ সংগঠক ও সিনিয়র আইনজীবী মোঃ শাহজাহান পারভেজ এবং সহযোগী হিসেবে উপস্থাপনা করেন মহিপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউসুফ হাওলাদার। এ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, আজকের এই থানা বিএনপি’র সাংগঠনিক সভার পরবর্তীতে চারটি ইউনিয়নের সাংগঠনিক টিম গঠন করে প্রতিটি ইউনিয়ন ভিত্তিক সাংগঠনিক সভা হবে। সেখান থেকে ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক কমিটি গঠন এবং ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে সকল ভোটারদের কাছে গিয়ে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা আলহাজ্ব এবিএম মোশারফ হোসেন এর জন্য ভোট প্রার্থনা করতে হবে এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে এবিএম মোশারফ হোসেন কে বিজয়ী করে জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী আলোচনায় নেতৃবৃন্দ তাদের আত্মা সমালোচনা, সংগঠনের গতিশীলতা, সাংগঠনিক দুর্বলতা, নেতাদের দায়িত্ব, কর্তব্য, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কাজী নাসির উদ্দিন, ইউসুফ হাওলাদার বাদল, সহিদুল ইসলাম হাওলাদার,মিজানুর রহমান হাওলাদার, সেলিম হাওলাদার, সাখাওয়াত হোসেন, শাহাজাদা, হাজী আঃ কুদ্দুস মাহমুদ,ফকরুল ইসলাম,মিজানুর রহমান প্যাদা, আক্কাস ,ফরিদ খান, মোফাজ্জেল হিরো, ফেরদৌস মুন্না, রেজা ,মনির মুসুল্লী , হেলেন কিলার বিউটি, রহিমা আক্তার রূপা, সম্রাট প্রমুখ ।