ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে এক বৃদ্ধার মৃত্যু

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: রংপুরের পীরগাছায় ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন নওয়াব আলী (৭২) নামে এক বৃদ্ধ। বুধবার (৮মে) দুপুরে উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নে সোনারায় কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।নওয়াব আলী পেশায় একজন কৃষক। তিনি সোনারায় গ্রামের বাসিন্দা। হৃদরোগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে পরিবার।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে ভোট দিতে সোনারায় কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান নওয়াব আলী। সেখানে ভোট দেওয়ার আগে কেন্দ্রের পাশে প্রস্রাব করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। ততক্ষণে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। বিষয়টি নিশ্চিত করে নওয়াব আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম জানান, দুপুরে ভ্যানে চড়ে ভোটকেন্দ্রে যান তার বাবা। সেখানে ভোট দেওয়ার আগে হঠাৎ প্রস্রাবের চাপ দিলে তিনি পাশের একটি টয়লেটে যান। সেখানে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। এর আগেও দুইবার তার বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে (হার্ট অ্যাটাক) তিনি মারা গেছেন বলে পরিবারের ধারণা। সোনারায় কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, ওই ব্যক্তি কেন্দ্রের বাইরে মারা গেছেন। এটি কেন্দ্রের বাইরের ঘটনা। তবে তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তিনি আরও জানান, ওই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৭০১ জন। এর মধ্যে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত ১ হাজার ১৯৫ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপের নির্বাচনে রংপুরের দুই উপজেলা পীরগাছা ও কাউনিয়ায় চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জনসহ মোট ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।এর মধ্যে পীরগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- আবু নাছের শাহ মো. মাহবুবার রহমান, তছলিম উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল মিলন ও মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ। ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন শাহ মো. শারেখ খন্দকার জয়, জাফর ইকবাল, আব্দুর রহিম ও ফরহাদ হোসেন অনু। এছাড়া নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- রেহেনা বেগম, শারমিন আখতার, জরিনা বেগম, তানজিলা আফরোজ, ইশরাত জাহান সুইটি এবং মাহমুদা খাতুন। এই উপজেলায় তিনজন হিজড়াসহ ২ লাখ ৮১ হাজার ৬৯৮ জন ভোটার।অন্যদিকে কাউনিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনোয়ারুল ইসলাম মায়া, আব্দুর রাজ্জাক ও হুমায়ুন কবির খান মুকুল লড়ছেন। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাহমুদুল হাসান পিন্টু, মনজুদার রহমান মিলন, সুশান্ত সরকার, শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির ও গনেশ কুমার চন্দ্র শর্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সেলিনা খাতুন, রওশন আরা, রাবেয়া বেগম ও আঙ্গুরা খাতুন। কাউনিয়া উপজেলায় ২ হিজড়াসহ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৪৩ জন।রংপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুলাহ আল মোতাহসিম জানান, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে এক বৃদ্ধার মৃত্যু

Update Time : ০২:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মে ২০২৪

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর: রংপুরের পীরগাছায় ভোট দিতে গিয়ে কেন্দ্রে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন নওয়াব আলী (৭২) নামে এক বৃদ্ধ। বুধবার (৮মে) দুপুরে উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নে সোনারায় কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটেছে।নওয়াব আলী পেশায় একজন কৃষক। তিনি সোনারায় গ্রামের বাসিন্দা। হৃদরোগে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে পরিবার।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে ভোট দিতে সোনারায় কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যান নওয়াব আলী। সেখানে ভোট দেওয়ার আগে কেন্দ্রের পাশে প্রস্রাব করতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন। ততক্ষণে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। বিষয়টি নিশ্চিত করে নওয়াব আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম জানান, দুপুরে ভ্যানে চড়ে ভোটকেন্দ্রে যান তার বাবা। সেখানে ভোট দেওয়ার আগে হঠাৎ প্রস্রাবের চাপ দিলে তিনি পাশের একটি টয়লেটে যান। সেখানে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। এর আগেও দুইবার তার বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে (হার্ট অ্যাটাক) তিনি মারা গেছেন বলে পরিবারের ধারণা। সোনারায় কারবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, ওই ব্যক্তি কেন্দ্রের বাইরে মারা গেছেন। এটি কেন্দ্রের বাইরের ঘটনা। তবে তার মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তিনি আরও জানান, ওই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৭০১ জন। এর মধ্যে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত ১ হাজার ১৯৫ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপের নির্বাচনে রংপুরের দুই উপজেলা পীরগাছা ও কাউনিয়ায় চেয়ারম্যান পদে ৭ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জনসহ মোট ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।এর মধ্যে পীরগাছা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- আবু নাছের শাহ মো. মাহবুবার রহমান, তছলিম উদ্দিন চৌধুরী, আব্দুল্লাহ আল মিলন ও মনোয়ারুল ইসলাম মাসুদ। ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন শাহ মো. শারেখ খন্দকার জয়, জাফর ইকবাল, আব্দুর রহিম ও ফরহাদ হোসেন অনু। এছাড়া নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- রেহেনা বেগম, শারমিন আখতার, জরিনা বেগম, তানজিলা আফরোজ, ইশরাত জাহান সুইটি এবং মাহমুদা খাতুন। এই উপজেলায় তিনজন হিজড়াসহ ২ লাখ ৮১ হাজার ৬৯৮ জন ভোটার।অন্যদিকে কাউনিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনোয়ারুল ইসলাম মায়া, আব্দুর রাজ্জাক ও হুমায়ুন কবির খান মুকুল লড়ছেন। এছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মাহমুদুল হাসান পিন্টু, মনজুদার রহমান মিলন, সুশান্ত সরকার, শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির ও গনেশ কুমার চন্দ্র শর্মা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন সেলিনা খাতুন, রওশন আরা, রাবেয়া বেগম ও আঙ্গুরা খাতুন। কাউনিয়া উপজেলায় ২ হিজড়াসহ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৪৩ জন।রংপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুলাহ আল মোতাহসিম জানান, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।