ভোলায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩ উপজেলা নির্বাচন

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোলার ৩ উপজেলায় আগামীকাল (মঙ্গলবার) অনুষ্টিত হচ্ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। রোববার মধ্য রাত থেকে বন্ধ হয়েছে সকল ধরনের প্রচার প্রচারনা। ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রার্থীরা। কেন্দ্রে কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ও সকল বহিরাগতদের কে নির্বাচনী এলাকা ত্যাগ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। আজ কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ভোটের সকল সরঞ্জামাদি ও ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের।

 

নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মঙ্গলবার (২০ মে) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচনী ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভোলা সদর, দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ নির্বাচনী ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিফিং এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান।

ব্রিফিং এ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সকল অফিসার ও ফোর্সের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে জেলা পুলিশের গোয়ন্দা শাখা এবং জেলা বিশেষ শাখার গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও বিশেষ কোন পরিস্থিতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে পুলিশের মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। জনগনের জানমাল রক্ষায় ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যে কোন ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।

 

সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারে সে দায়িত্ব পালনে ভোলা জেলা পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ। নির্বাচন ডিউটিতে নিয়োজিত (কেন্দ্র, মোবাইল, স্ট্রাইকিং, স্ট্যান্ডবাই,) সকল অফিসার/ফোর্সগণকে প্রয়োজনীয় মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান সহ করনীয়-বর্জনীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

 

পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, তিন উপজেলার নির্বাচনে ৪ স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিন উপজেলায় মোট ২৫২ কেন্দ্রে ৩৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তিনজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন।

মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে বিজিবি, র্র্যাব, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও আনছার সহ সাদা পোশাখে বিপুল সংখ্যক ফোর্স থাকবে। এছাড়াও পুলিশের ৫১টি মোবাইল টিম ও ৯টি স্ট্রাইকিং টিম সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।

 

ব্রিফিং এ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মামুন অর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপস্) আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রিপন চন্দ্র সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লালমোহন সার্কেল) মোঃ বাবুল আখতার, সহকারী পুলিশ সুপার (তজুমদ্দিন সার্কেল) মোঃ মাসুম বিল্লাহ সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, জেলা বিশেষ শাখা, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, পুলিশ পরিদর্শক, শহর ও যানবাহন শাখা, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শকসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট হতে আগত অফিসার-ফোর্সবৃন্দ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

ভোলায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩ উপজেলা নির্বাচন

Update Time : ০১:৩৯:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ভোলার ৩ উপজেলায় আগামীকাল (মঙ্গলবার) অনুষ্টিত হচ্ছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন। রোববার মধ্য রাত থেকে বন্ধ হয়েছে সকল ধরনের প্রচার প্রচারনা। ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রার্থীরা। কেন্দ্রে কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে ও সকল বহিরাগতদের কে নির্বাচনী এলাকা ত্যাগ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। আজ কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে ভোটের সকল সরঞ্জামাদি ও ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের।

 

নির্বাচনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মঙ্গলবার (২০ মে) আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচনী ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভোলা সদর, দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ নির্বাচনী ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। ব্রিফিং এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান।

ব্রিফিং এ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সকল অফিসার ও ফোর্সের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার বলেন, আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে জেলা পুলিশের গোয়ন্দা শাখা এবং জেলা বিশেষ শাখার গোয়েন্দা নজরদারী অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও বিশেষ কোন পরিস্থিতিকে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে পুলিশের মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। জনগনের জানমাল রক্ষায় ও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যে কোন ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।

 

সাধারণ ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারে সে দায়িত্ব পালনে ভোলা জেলা পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ। নির্বাচন ডিউটিতে নিয়োজিত (কেন্দ্র, মোবাইল, স্ট্রাইকিং, স্ট্যান্ডবাই,) সকল অফিসার/ফোর্সগণকে প্রয়োজনীয় মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান সহ করনীয়-বর্জনীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

 

পুলিশ সুপার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, তিন উপজেলার নির্বাচনে ৪ স্তরের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিন উপজেলায় মোট ২৫২ কেন্দ্রে ৩৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তিনজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন।

মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে বিজিবি, র্র্যাব, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও আনছার সহ সাদা পোশাখে বিপুল সংখ্যক ফোর্স থাকবে। এছাড়াও পুলিশের ৫১টি মোবাইল টিম ও ৯টি স্ট্রাইকিং টিম সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।

 

ব্রিফিং এ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ মামুন অর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপস্) আছাদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রিপন চন্দ্র সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (লালমোহন সার্কেল) মোঃ বাবুল আখতার, সহকারী পুলিশ সুপার (তজুমদ্দিন সার্কেল) মোঃ মাসুম বিল্লাহ সহ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ, ডিআইও-১, জেলা বিশেষ শাখা, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা, পুলিশ পরিদর্শক, শহর ও যানবাহন শাখা, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শকসহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট হতে আগত অফিসার-ফোর্সবৃন্দ।