শেখ হাসিনা সরণির মূলসড়কের পরিবর্তে সার্ভিস রোডে বিআরটিসি বাস চলাচলের দাবি

Oplus_131072

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ) : পূর্বাচলের শেখ হাসিনা সরণির কুড়িল বিশ্বরোড-ভুলতা গাউছিয়া রোডের মূলসড়কের পরিবর্তে পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোডে বিআরটিসি আর্টিকুলেটেড বাস চলাচলের দাবি জানিয়েছে যাত্রীরা। মূলসড়কে চলাচলকারী বাসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা উঠা-নামা করছে। বড় কোন দুর্ঘটনার পূর্বেই মূলসড়কের পরিবর্তে পার্শ্বসড়ক দিয়ে অভ্যন্তরিণ যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার দাবিও জানিয়েছে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিআরটিসি আর্টিকুলেটেড বাস পূর্বাচলের তিনশ’ ফুট সড়ক নামে পরিচিত শেখ হাসিনা সরণির পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড দিয়ে চলাচল করে আসছিলো। গত কয়েকমাস ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের সদস্যরা সার্ভিস রোডের পাশ থেকে মূলসড়কের পাশে টিকিট কাউন্টার স্থাপন করে। তাতে সার্ভিস রোড পার হয়ে টিকিট কাউন্টারে যেতে শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, মহিলা ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা সার্ভিস রোড পার হয়ে কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয় করছেন। কেউবা বাসে উঠছেন। আবার কেউবা বাস থেকে নামছেন। বাসে উঠার আগে পার্শ্বসড়ক পার হয়ে কাউন্টারে আসতে হচ্ছে । বাস থেকে নামার পরে যাত্রীরা পার্শ্বসড়ক পার হয়ে গন্তব্যে যাচ্ছে। এ সমস্যায় বাধ্য হয়ে উল্টো পথে রিক্সা ও অটো রিক্সা চলাচল করছে।
শেখ হাসিনা সরণির জলসিঁড়ি, ল্যাংটার মাজার, শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও মস্তুল এলাকায় মূলসড়কের পাশে বিআরটিসি বাসের টিকিট কাউন্টার রয়েছে। এই চার স্থানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড পার হয়ে মূল সড়কে এসে বাসে উঠেন।
বিআরটিসির ট্রাফিক ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, শেখ হাসিনা সরণিতে কোন গতি রোধক নেই। সিগনালবিহীন এ সড়কের পথে নেই কোন ট্রাফিক ব্যবস্থা। চৌদ্দ লেনের এ সড়কের মাঝখানে চার লেন করে আসা যাওয়ার জন্য আট লেনের মূল সড়ক রয়েছে। দুই পাশে আরো তিন লেন করে ছয় লেনের পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড রয়েছে। মূলসড়কের গাড়ি খুব দ্রæত চলাচল করে। আর তিন লেনের পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড পার হয়ে যাত্রীদের বিআরটিসির বাস কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয় করে বাসে উঠা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মূলসড়কের পরিবর্তে পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোডে যাত্রীবাহী অভ্যন্তরিণ পরিবহন চলাচল করা প্রয়োজন।
বিআরটিসি বাস যাত্রী পূর্বাচলের বাঘবের গ্রামের হারুনুর রশিদ বলেন, জলসিঁড়ি চৌরাস্তার উত্তর ও দক্ষিণ পাশে অটোরিক্সা স্ট্যান্ড রয়েছে। এখানে বাসের টিকিট কাউন্টার ও বাস স্ট্যান্ড স্থাপন করলে যাত্রীরা সহজেই বাসে উঠা-নামা করতে পারবে।
এ ব্যাপারে কুড়িল বিশ্বরোড-ভুলতা-গাউছিয়া সড়কের বিআরটিসি বাস পরিচালনা সহায়তাকারী মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, রাজউক চেয়ারম্যান, ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের মহাপরিচালক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, রাজউকের প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোন সুফল হয় নি।
শেখ হাসিনা সরণিতে দায়িত্বরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের একজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, শেখ হাসিনা সরণির মূল সড়কের উভয় পাশে প্রয়োজনীয় স্থানে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। এই যাত্রী ছাউনির যথাযথ ব্যবহার এবং রোদ বৃষ্টি থেকে নিরাপদে থাকার জন্য যাত্রী ছাউনির পাশেই বিআরটিসি বাসের টিকিট কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। তবে পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড পার হয়ে যাত্রীদের বাসে উঠা-নামা সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি অবশ্যই কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

কাঁচামালের সংকটে ২৫ দিন বন্ধ থাকতে পারে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার এনামুল হক রাশেদীঃ বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। কাঁচামালের সংকটে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত একমাত্র তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) সাময়িকভাবে বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বন্ধ থাকায় আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে রিফাইনারিটির মজুত শেষ হয়ে যেতে পারে। ফলে অন্তত ২৫ দিন উৎপাদন বন্ধ থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠার ৫৭ বছরের ইতিহাসে কাঁচামালের অভাবে এমন পরিস্থিতি এবারই প্রথম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ৩৫ দিনে অপরিশোধিত তেলবাহী কোনো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়নি। বর্তমানে ইআরএলে ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে প্রায় ২০ হাজার টন। মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসায় উৎপাদনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৫০০ টন জ্বালানি উৎপাদন হলেও এখন তা কমে ৩ হাজার ২০০ টনে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, চলতি মাসে নতুন কোনো অপরিশোধিত তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী চালানটি আসতে পারে আগামী ১ মে। এক লাখ টন তেলবাহী সেই জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে রিফাইনারিতে তেল আনতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে। এ হিসাবে অন্তত ২৫ দিন ইআরএলের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রামের এই রিফাইনারি মাসে প্রায় দেড় লাখ টন তেল পরিশোধন করে। এখান থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল, ১৫ হাজার টন পেট্রোলসহ মোট ১৪ ধরনের জ্বালানি পণ্য উৎপাদন হয়। দেশে বছরে প্রায় ৭২ লাখ টন জ্বালানি তেলের চাহিদার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি পরিশোধন করে ইআরএল, যা মোট চাহিদার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলছে বিপিসি জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিপিসি। জ্বালানি বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইআরএল সাময়িক বন্ধ হলেও দেশে অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে বড় ধরনের সংকট হবে না। বর্তমানে অন্তত তিন মাস চলার মতো অকটেন মজুত রয়েছে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অপরিশোধিত তেল না এলেও ইতোমধ্যে ১০টি জাহাজে ডিজেল দেশে এসেছে। এপ্রিল মাসে প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল আসা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের ডিপোগুলোতে মজুত রয়েছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টন ডিজেল এবং আরও প্রায় ৬০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। পেট্রোল-অকটেনের মজুত স্বাভাবিকঃ দেশে মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টন অকটেন ও ৩০ হাজার টনের কিছু বেশি পেট্রোলের চাহিদা রয়েছে। সিলেট গ্যাসফিল্ডের কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্লান্টসহ কয়েকটি বেসরকারি প্লান্ট থেকে পেট্রোল উৎপাদন হওয়ায় এ খাতে তেমন সংকট নেই। সম্প্রতি ২৫ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ দেশে পৌঁছেছে এবং আরও একটি জাহাজ আগামী সপ্তাহে আসার কথা রয়েছে। তবে ইআরএল বন্ধ হয়ে গেলে ন্যাফথা সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ পেট্রোল ও অকটেন মিশ্রণ প্রক্রিয়ায় এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ। মে মাসে আসতে পারে অপরিশোধিত তেল বিপিসি সূত্র জানায়, সৌদি আরবের ইয়ানবু কমার্শিয়াল পোর্ট থেকে ২০ এপ্রিল এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল জাহাজে তোলা হবে। এছাড়া ‘এমটি নরডিক পলুকস’ নামের আরেকটি জাহাজে এক লাখ টন তেল হরমুজ প্রণালিতে আটকে রয়েছে। দুটি জাহাজ মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টন অপরিশোধিত তেল মে মাসের শুরুতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তেল খালাস করে রিফাইনারিতে পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগবে। এরপর গুণগত মান যাচাই শেষে পুনরায় পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। দেশে জ্বালানির ব্যবহারঃ বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে জ্বালানি তেলের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় পরিবহন খাতে। মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হয়। এছাড়া কৃষিতে ১৫ শতাংশ, বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রায় ১২ শতাংশ, শিল্পে প্রায় ৬ শতাংশ এবং অন্যান্য খাতে বাকি জ্বালানি ব্যবহৃত হয়। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বিপিসি মোট ৬৮ লাখের বেশি টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডিজেল—৪৩ লাখ টনেরও বেশি, যা মোট বিক্রির প্রায় ৬৪ শতাংশ।

ঢাকার মিরপুরের আভিজাত রেস্টুরেন্টে এসইবিডি বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩ ও উদ্যোক্তা মিটআপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত:

শেখ হাসিনা সরণির মূলসড়কের পরিবর্তে সার্ভিস রোডে বিআরটিসি বাস চলাচলের দাবি

Update Time : ১২:৩৯:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ) : পূর্বাচলের শেখ হাসিনা সরণির কুড়িল বিশ্বরোড-ভুলতা গাউছিয়া রোডের মূলসড়কের পরিবর্তে পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোডে বিআরটিসি আর্টিকুলেটেড বাস চলাচলের দাবি জানিয়েছে যাত্রীরা। মূলসড়কে চলাচলকারী বাসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা উঠা-নামা করছে। বড় কোন দুর্ঘটনার পূর্বেই মূলসড়কের পরিবর্তে পার্শ্বসড়ক দিয়ে অভ্যন্তরিণ যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার দাবিও জানিয়েছে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিআরটিসি আর্টিকুলেটেড বাস পূর্বাচলের তিনশ’ ফুট সড়ক নামে পরিচিত শেখ হাসিনা সরণির পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড দিয়ে চলাচল করে আসছিলো। গত কয়েকমাস ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের সদস্যরা সার্ভিস রোডের পাশ থেকে মূলসড়কের পাশে টিকিট কাউন্টার স্থাপন করে। তাতে সার্ভিস রোড পার হয়ে টিকিট কাউন্টারে যেতে শিশু-কিশোর, ছাত্র-ছাত্রী, মহিলা ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা সার্ভিস রোড পার হয়ে কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয় করছেন। কেউবা বাসে উঠছেন। আবার কেউবা বাস থেকে নামছেন। বাসে উঠার আগে পার্শ্বসড়ক পার হয়ে কাউন্টারে আসতে হচ্ছে । বাস থেকে নামার পরে যাত্রীরা পার্শ্বসড়ক পার হয়ে গন্তব্যে যাচ্ছে। এ সমস্যায় বাধ্য হয়ে উল্টো পথে রিক্সা ও অটো রিক্সা চলাচল করছে।
শেখ হাসিনা সরণির জলসিঁড়ি, ল্যাংটার মাজার, শেখ হাসিনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও মস্তুল এলাকায় মূলসড়কের পাশে বিআরটিসি বাসের টিকিট কাউন্টার রয়েছে। এই চার স্থানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীরা পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড পার হয়ে মূল সড়কে এসে বাসে উঠেন।
বিআরটিসির ট্রাফিক ইনচার্জ আমির হোসেন বলেন, শেখ হাসিনা সরণিতে কোন গতি রোধক নেই। সিগনালবিহীন এ সড়কের পথে নেই কোন ট্রাফিক ব্যবস্থা। চৌদ্দ লেনের এ সড়কের মাঝখানে চার লেন করে আসা যাওয়ার জন্য আট লেনের মূল সড়ক রয়েছে। দুই পাশে আরো তিন লেন করে ছয় লেনের পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড রয়েছে। মূলসড়কের গাড়ি খুব দ্রæত চলাচল করে। আর তিন লেনের পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড পার হয়ে যাত্রীদের বিআরটিসির বাস কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয় করে বাসে উঠা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। মূলসড়কের পরিবর্তে পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোডে যাত্রীবাহী অভ্যন্তরিণ পরিবহন চলাচল করা প্রয়োজন।
বিআরটিসি বাস যাত্রী পূর্বাচলের বাঘবের গ্রামের হারুনুর রশিদ বলেন, জলসিঁড়ি চৌরাস্তার উত্তর ও দক্ষিণ পাশে অটোরিক্সা স্ট্যান্ড রয়েছে। এখানে বাসের টিকিট কাউন্টার ও বাস স্ট্যান্ড স্থাপন করলে যাত্রীরা সহজেই বাসে উঠা-নামা করতে পারবে।
এ ব্যাপারে কুড়িল বিশ্বরোড-ভুলতা-গাউছিয়া সড়কের বিআরটিসি বাস পরিচালনা সহায়তাকারী মোঃ জিল্লুর রহমান বলেন, রাজউক চেয়ারম্যান, ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের মহাপরিচালক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, রাজউকের প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোন সুফল হয় নি।
শেখ হাসিনা সরণিতে দায়িত্বরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন বিগ্রেডের একজন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, শেখ হাসিনা সরণির মূল সড়কের উভয় পাশে প্রয়োজনীয় স্থানে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। এই যাত্রী ছাউনির যথাযথ ব্যবহার এবং রোদ বৃষ্টি থেকে নিরাপদে থাকার জন্য যাত্রী ছাউনির পাশেই বিআরটিসি বাসের টিকিট কাউন্টার স্থাপন করা হয়েছে। তবে পার্শ্বসড়ক বা সার্ভিস রোড পার হয়ে যাত্রীদের বাসে উঠা-নামা সত্যিই ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি অবশ্যই কর্তৃপক্ষ ভেবে দেখবেন।